প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাটিতে দাফনের ফলে করোনা সংক্রমণের সুযোগ নেই, জানালেন আইডিসিআর উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন

মহসীন কবির : [২]  জনবসতিপূর্ণ এলাকায় করোনায় আক্রান্ত মৃত মানুষের দাফন নয়। ঢাকার বাইরে বা অন্য কোন নিরাপদ স্থানে দাফনের দাবি জানিয়েছে, খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানের আশপাশের বাসিন্দারা। টানানো হয়েছে ব্যানার। রোববার ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে একটি মরদেহও। অবশ্য বুধবার কয়েকজন এলাকাবাসীর সহায়তায় দাফন করা হয় একজনকে। তাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিয়েই এসব মরদেহ আনা হচ্ছে এখানে। চ্যানেল২৪

[৩] করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীতে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের দাফনের জন্য খিলগাঁও তালতলার এই কবরস্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

[৪]  কবরস্থানে যাওয়ার আগে তালতলা মার্কেটের সামনে চোখে পড়বে কিছু ব্যানার। ঢাকার বাইরে বা অন্য কোন নিরাপদ স্থানে দাফনের দাবি তে স্থানীয়দের পক্ষে এমন ব্যানার টানানো হয়েছে কবরস্থানের প্রধান ফটকেও।

[৫]  গত রোববার করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া একজনের মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে আসা হয় খিলগাঁও তালতলার কবরস্থানে। তবে স্থানীয়দের বাধায় মরদেহ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে দাফন করা হয় মিরপুরের একটি কবরস্থানে। অবশ্য বুধবার এলাকাবাসীর সহায়তায় এখানে দাফন করা হয় করোনায় মারা যাওয়া একজনকে।

[৬]  স্থানীয়রা বলছেন, কবরস্থানটিতে সীমানাপ্রাচীর নেই। এছাড়া সীমানার মধ্যেই টিনের ঘরতুলে বসবাস করছে একাধিক পরিবার। ফলে এখানে করোনায় মৃতদের দাফন নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।

[৭]  যদিও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাটি চাপা দেয়ার পর করোনা ছড়ানোর সুযোগ নেই। আইডিসিআর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, যেভাবে করোনা আক্রান্তে মৃত ব্যক্তির দাফন করা হয়, এ থেকে কোন বিপদের সম্ভাবনা নেই। আপনারা আপনাদের ভাইকে সম্মানের সাথে শেষ কাজটা করতে সহায়তা করুন।

[৮]  রাজধানীতে সিটি করপোরেশনের কবরস্থান রয়েছে ৯টি। এরমধ্যে উত্তর সিটিতে ৬টি আর দক্ষিণে ৩টি।

 

সর্বাধিক পঠিত