প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অক্সফোর্ডের গবেষণা, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অর্ধেক বৃটিশ নাগরিক

ইয়াসিন আরাফাত : [২] অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন ভয়াবহ তথ্য। গবেষণায় বলা হয়েছে,জানুয়ারি থেকে বিস্তার শুরু করা এই ভাইরাসে এরই মধ্যে বৃটিশ মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। বিবিসি, ডেইলিমেইল ইউকে

[৩] বৃটেনে একদিনে রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনার পর এমন গবেষণা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিখ্যাত ওই বিশ্ববিদ্যালয়।

[৪] বৃটেনের সরকারি হিসেব মতে দেশটিতে এপর্যন্ত করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ৪৩৫ জন।আক্রান্ত হয়েছেন ৮,২৬৪ জন।

[৫] বিশ্ববিদ্যালয়টির মহামারি বিষয়ক তাত্ত্বিক বা থিওরিটিক্যাল প্রফেসর সুনেত্রা গুপ্ত করোনা সংক্রমণের হার নিয়ে করা এক গবেষণা্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃটেনে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া শুরু হয়েছে মধ্য জানুয়ারি থেকে। এর দু’সপ্তাহ পরে বৃটেনে প্রথম এই ভাইরাসে আক্রান্তের তথ্য পাওয়া যায়।

[৬] গবেষণায় বলা হয়েছে, এই ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর এক মাস আগে ওই সংক্রমণ শুরু হয়। এর অর্থ হলো, এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়েছে। তাই এই তত্ত্বের জন্য পরীক্ষা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

[৭] সুনেত্রা গুপ্ত আরো বলেন, অবিলম্বে ব্যাপকভিত্তিক সেরোলজিক্যাল জরিপ শুরু করা উচিত আমাদের। এটা হলো এন্টিবডি পরীক্ষা। এতে শরীরের রক্তরস ও অন্যান্য তরল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। তার মতে, মহামারি কি পর্যায়ে আছে তা নির্ধারণ করতে এই পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

[৮] সম্প্রতি ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের একদল বিশেষজ্ঞ বৃটেনে করনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে একটি গবেষণা করেছিলো। সেই গবেষণায় এ রোগ নিয়ে যে তথ্য দেয়া হয়েছে তা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বিপরীতমুখী।

[৯] সেই গবেষণা সম্পর্কে প্রফেসর সুনেত্রা গুপ্ত বলেন, ইম্পেরিয়ালের করা মডেলের অযোগ্য গ্রহণযোগ্যতায় আমি বিস্মিত। ইম্পেরিয়ালের গবেষণা সরকারকে একটি ব্যতিক্রমী শাটডাউনের দিকে নিয়ে গেছে। এর ভিত্তি হলো এমন শাটডাউন না দিলে আড়াই লাখ মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত