প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অসচেতনতার মাশুল গুণছে ইতালি

ইয়াসিন আরাফাত : [২] ইতালির পর্যটনের জন্য বিখ্যাত শহর মিলানের এক চিকিৎসকের দাবি, ২০১৯ সালের নভেম্বরেই দেশটিতে বিশেষ করে উত্তর ভাগে একটি অদ্ভুত ধরনের ‘নিউমোনিয়া’ ছড়াতে শুরু করেছিলো। তারও পরে, ১ ডিসেম্বর চিনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। এই সময়।

[৩] মিলানের মারিও নেগ্রি ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর গিউসেপ্পে মেরুসির দাবি, ইতালির কয়েকজন চিকিৎসক তাকে জানিয়েছিলো, উত্তর ইতালির লোম্বার্দিতে ডিসেম্বর তো বটেই, নভেম্বরেই অদ্ভুত ধরনের নিউমোনিয়া ছড়াতে দেখেছিলেন তারা। যাতে বৃদ্ধরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছিলেন। যার অর্থ, চীন থেকে মহামারীর খবর আসার আগেই ইতালিতে সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু সে সময় তাতে ভ্রুক্ষেপ না করে নিজেদের কাজেই ব্যাস্ত থাকে ইতালির প্রশাসন।

[৪] দিনকয়েক আগেই চিনের ফুসফুস-রোগ বিশেষজ্ঞ ঝং নানশন দাবি করেছিলেন, চীন প্রথম করোনা আক্রান্তের রিপোর্ট করলেও, এর উৎস এখনও জানা যায়নি।

[৫] এই রিপোর্ট সামনে আসার পরই তা ফলাও করে প্রচার করতে শুরু করেছে চীনের গণমাধ্যমগুলো। যদিও ইতালির প্রথম স্থানীয় সংক্রমণের ঘটনাটি ঘটে ২১ ফেব্রুয়ারি।

[৬] করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে মৃত্যুমিছিল চলছে ইতালিতে। এই মহামারীর নেপথ্য কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, অসচেতনতার জন্যই দেশটিতে ব্যাপক হারে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস।

[৭] স্থানীয় অনেকের দাবি জনতার ভিড় হালকা করতেই ব্যর্থ প্রশাসন। অনেকেই জানান, ফাঁকা হয়ে যাওয়া শহরে ক্রেতা টানতে ভেনিসের সেন্ট মার্কস স্কোয়ারের বেশ কয়েকটি পানশালা একটি পানীয়ের সঙ্গে একটি বিনামূল্যে দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিলো দোকান কর্তৃপক্ষ।একমাস চলার কথা ছিল সেই অফার।

[৮] ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ সরকারে থাকা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা নিকোলা জিঙ্গারেত্তি মিলানের একটি সভায় ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘আমাদের আচরণ বদলের কোনও প্রয়োজন নেই। আমাদের অর্থনীতি ভয়ের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।’ সবাইকে কফি, পিৎজা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

[৯] ওই দিনই মিলানের মেয়র বেপে সালা একটি ভিডিয়োতে বলেন, মিলান কখনও থেমে থাকে না।’ এমন প্রেক্ষাপটে পরবর্তী সময়ে লোকজনকে ঘরে ঢোকাতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। লকডাউন কার্যকর করতে বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত