প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনা নিয়ন্ত্রণের একটাই উপায়, লকডাউন

 

লুৎফর রহমান হিমেল: চীনের মতো বিশ্বের আর কোনো দেশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে পারবে না। এটা এর মধ্যেই প্রমাণ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মহামারী সহসাই বন্ধ হচ্ছে না। এ বছরও কেটে যেতে পারে। সে হিসাবে, যে বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন যে, এই মহামারীতে কোটি মানুষ মারা যাবে, তাদের কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই সংখ্যা পূরণে আমরাই হয়তো বড় ভূমিকা রাখতে যাচ্ছি। মিরপুরে যে দুটি মৃত্যুর রেকর্ড আমরা দেখছি, পরিজনরা জানাচ্ছেন, তারা কেউই বিদেশ ফেরতদের সংস্পর্শে আসেননি। অর্থাৎ কমিউনিটি বেইজড ছড়িয়ে গেছে ভাইরাস। এখন এটি নিয়ন্ত্রণের একটাই ওপায়: লকডাউন। তবে নিত্যপণ্য, ওষুধের দোকান খোলা রাখতে হবে। এক ভবন থেকে এক বা দুইজনকে এসব কেনাকাটার জন্য পাঠানোর সুযোগ রাখতে হবে।

কষ্টের কথা হলো, আমরা দেশি পত্রিকার খবর অবিশ্বাস করতে করতে বিদেশি পত্রিকার খবরও বিশ্বাস করলাম না। চুন খেয়ে মুখ পুড়িয়ে দই দেখেও ভয় এরকম দশা এখন আমাদের। যদি এমন হতো, করোনায় আজকের আক্রান্ত মানুষটি কালকে মারা যেতো, তাহলেই হয়তো বিশ্বাস হতো আমাদের। কিন্তু এ ভাইরাসে একজন রোগীর মারা যেতে সময় লাগছে ২০ থেকে ২৫ দিন। এরমধ্যে ১৫ দিন সে সামাণ্য কিছু লক্ষণ ছাড়া কিছুই টেরই পাচ্ছে না! নিরব ঘাতক হিসেবে যে ভাইরাসটি থাবা মেরে চলেছে পশ্চিমা উন্নত দেশেও, আমরা তা উপলব্ধিতে আনতে পারলাম না। গণজমায়েত আর রাস্তায় ঢেউ তুলে যাতায়াত অব্যাহত রাখলাম। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত