প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ দরপতনের সুযোগ নিতে পারছেনা দেশ

শাহীন চৌধুরী: [২] বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের এক তৃতীয়াংশ দরপতন হলেও সেই সুযোগ নিতে পারছেনা বাংলাদেশ। কারণ দেশে এক মাসের বেশি জ্বালানি তেল মজুত করার মত ব্যবস্থা নেই। তবে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাসের কারণে প্রতিদিনের চাহিদা অনুযায়ী ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। সে হিসেবে এক মাসে সাশ্রয় হাবে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। খবর বিপিসি সূত্রের।

৩] সূত্রমতে, দেশে প্রতিদিন গড় জ্বালানি তেলের চাহিদা ১৮ হাজার মেট্রিকটন। আর সারাদেশে ১৩ লাখ টন তেল মজুত করার সুযোগ রয়েছে যাতে দেশের মাত্র এক মাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমেছে। এই সুযোগে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত করে রাখছে।

[৪] গত মাসে বিপিসি ব্যারেল প্রতি ৫৬ ডলার করে ক্রুড অয়েল আমদানি করেছে। পরিশোধিত ডিজেল আমদানি কেছে ৭৫ ডলার করে। যদিও দেশে আমাদের চাহিদার এক তৃতীয়াংশেরও কম তেল পরিশোধনের সুযোগ রয়েছে। ফলে বেশীর ভাগ পরিশোধিত তেলই আমদানি করতে হয়। ক্রুড অয়েল ৬৭ ডলারের নীচে নামলেই কেবল লাভের মুখ দেখতে পায় বিপিসি।

[৫] এদিকে চলতি সপ্তাহে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের অন্যতম সূচক ব্রেন্ট ক্রূডের দর প্রতি ব্যারেলে ৪৭ ডলারে নেমে আসে। চলতি বছরে জ্বালানি তেল ব্রেন্ট সূচক যে দর নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এটা তার চাইতে এক- তৃতীয়াংশ কম। এই মূল্যহ্রাস অব্যাহত রয়েছে। এর আগে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যযুদ্ধের প্রেক্ষিতে জ্বালানি পণ্যটি ব্যারেল প্রতি ৬০-৬৫ মার্কিন ডলার মূল্য নিয়ে চলতি বছর শুরু করে।

[৬] বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যহ্রাস সম্পর্কে বিপিসি’র পরিচালক অপারেশন আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, যেহেতু আমাদের এক মাসের বেশী তেল মজুত করার সুযোগ নেই তাই চাইলেই আমরা বেশী তেল আমদানি করতে পারবনা। তিনি বলেন, কারোনা আতঙ্কের কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ফ্লাইট সীমিত করায় জেপিআিই’র চাহিদা অনেক কমেছে।

[৭] তিনি আরও বলেন, তেল আমদানির ক্ষেত্রেও ঝামেলা বেড়েছে। বিশেষ করে এখন একটি বিদেশী জাহাজ আসলেই তেল খালাশ করা যাচ্ছেনা। জাহাজের ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ নানা প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগছে। দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমবে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জনামতে এধরণের সম্ভাবনা নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত