প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে যাত্রী ও ফ্লইট কমেছে ৪০-৫০%, আন্তর্জাতিক রুট বন্ধের পথে, জানিয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলো

লাইজুল ইসলাম : [২] বিকেলে ইউএসবাংলা ও নভোএয়ারের কর্মকর্তারা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের ক্ষতি অগণিত। তাই আমরা হিসেব করিনি। তবে একটি হিসেব করা হবে। সেটা আরো পরে। প্রতিদিনই ক্ষতির হিসেব বাড়ছে।

[২] ইউএসবাংলার জণসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, এমন একটি পরিবেশ চলছে যাতে প্রতি মূহুর্তে ক্ষতির পরিমান পরিবর্তন হচ্ছে। এই হিসেব করার জন্য আমাদের কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছে। তবে এখনো এই বিষয়ে বলার মতো কিছুই পাইনি। পূর্নাঙ্গ হিসেব পেতে আরো সময় লাগবে।

[৩] কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলতো ৯৮টি। সেখানে এখন চলছে মাত্র ১৪টি। অভ্যন্তরীন ফ্লাইট ছিলো ৬০টি। এর ৫০% কমেছে। এতেই বোঝা যায় ক্ষতির পরিমানটা কোথায়।

[৪] নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ক্ষতির পরিমানটা কত হবে তা প্রেডিকশন করা যাচ্ছে না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সরকার বেসরকারি বিমান সংস্থাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের সরকারও যদি তা করে তবেই কিছুটা গুছিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

[৫] মফিজুর রহমান বলেন, ফ্লইটের সংখ্যা ৪০ শতাংশ কমে গেছে। যাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৫০ শতাংশের বেশি। ভারতের কলকাতায় যে ফ্লাইট চলতো তা বন্ধ রয়েছে।

[৬] তবে রাষ্ট্রায়াত্ব পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দুইশো পঞ্চাশ কোটি টাকার ওপর ক্ষতির মুখে পরতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোকাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, সব দেশেরমত সব এয়ারলাইন্সেরমত আমরাও ক্ষতির মুখে পরেছি। কিছুই করার নেই।

[৭] মোকাব্বির বলেন, ধারাবাহিক যাত্রী সংকটের কারণে দেশের অভ্যন্তরে ফ্লাইট কমাতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক রুটও বন্ধ হয়েছে। ক্ষতিতো হবেই।

[৮] এদিকে, গত ১৫ দিনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বিমান চলাচল ও কার্গো হ্যান্ডেলিং না হওয়ায় ৩৫-৪০ কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত