প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশের বেসরকারি হাসপাতালে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার অনুমতি নেই, জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

মহসীন কবির : [২] মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলো
করোনভাইরাস পরীক্ষা করতে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না, কারণ তারা সংকটে সাহায্যের পরিবর্তে ব্যবসায়িক বিষয়ে আরও আগ্রহী হতে পারে।  বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

[৩] রোগীর নমুনায় যদি করোনা ভাইরাস থাকে, তাহলে এ পরীক্ষায় তার সংখ্যা বাড়বে। ফলাফল আসবে ‘পজেটিভ’। এই ফলাফল পেতে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। আরটি-পিসিআরের প্রতিটি পরীক্ষায় খরচ লাগবে পাঁচ হাজার টাকার বেশি। যদিও এ ব্যয় বাংলাদেশ সরকার বহন করছে এখন। একুশে টিভি

[৪]  আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন,  প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনদের বলা হয়েছে যেন, জেলায়, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত যেন কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়। সেখানে যোগাযোগের নম্বর দেয়া হবে। কারো সমস্যা, প্রয়োজন বোধ করলে সেখানে যোগাযোগ করতে পারবেন।’ এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি যোগাযোগ নম্বর ১৬২৬৩ নম্বরে যোগাযোগ পরামর্শ নিতে পারবেন। পাশাপাশি আরও কয়েকটি জরুরি নম্বর চালু করা হচ্ছে। বিবিসি

[৫] রাজধানীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় তারা কোনো উদ্যোগ নেয়নি। কারো কারো ক্ষেত্রে এই রোগের চিকিৎসায় অনাগ্রহও দেখা গেছে। তারা যুক্তি হিসেবে অন্য রোগীদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের অভাবের কথা বলছেন। সমকাল

[৬] এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ভেন্টিলেশন সিস্টেমের কারণে তাদের পক্ষে করোনা রোগীর জন্য আইসোলেশন ইউনিট করা সম্ভব হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বেসরকারি আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী  জানান, করোনা রোগী ডেঙ্গু বা অন্য রোগীর মতো নয়, এটা মারাত্মক সংক্রমক। করোনা আক্রান্তদের পুরোপুরি আইসোলেটেড রাখতে হয়। এ কারণে এ ধরনের কোনো রোগী সন্দেহ হলে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআরে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া আছে। সমকাল

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত