প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ‘মুজিববর্ষ-১০০’ বিভিন্ন ঘটনার নাম ও ক্রমানুসারে মুজিববর্ষের নতুন ক্যালেন্ডার

হ্যাপি আক্তার : [২] জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ছিলো নানান আয়োজন। এর মধ্যে জাতির পিতার জন্মদিনকে একটি বছরের প্রথম দিন ধরে নতুন এক ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সারাবাংলা, বাংলা ট্রিবিউন, আওয়ার ইসলাম, ঢাকা ১৮

[৩] মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিভিন্ন ঘটনার ক্রমানুসারে ১২ মাসের নাম দিয়ে নতুন বর্ষপঞ্জী ‘মুজিববর্ষ-১০০’ নামে নতুন এ ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কেএম আলী আজম।

[৪] শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন এই মুজিববর্ষ ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন ১৭ মার্চ। এর প্রথম মাসের নাম দেয়া হয়েছে স্বাধীনতা। বছরের অন্য মাসগুলো যথাক্রমে— শপথ, বেতারযুদ্ধ, যুদ্ধ, শোক, কৌশলযুদ্ধ, আকাশযুদ্ধ, জেলহত্যা, বিজয়, ফিরে আসা, নবযাত্রা ও ভাষা। প্রতি চার বছর পর পর এই ক্যালেন্ডারের শেষ মাস ভাষা একদিন বাড়িয়ে ধরা হবে। এই বছরটিকে ধরা হবে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ। সারাবাংলা/

[৫] এসময় শ্রম সচিব বলেন, এ ক্যালেন্ডার উদ্বোধন এ জাতির জন্য মাইলফলক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের ধ্রুব তারার মতো। তাকে স্মরণ করেই জাতি এ দেশকে এগিয়ে নেবে। সারাবাংলা

[৬] শ্রম সচিব বলেন, গার্মেন্টসে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন সেক্টরের মালিক সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের অনুরোধ করেছি। তার মধ্যে কর্মীদের কারখানায় প্রবেশের আগেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে প্রবেশ করানো, প্রত্যেক শ্রমিককে মাস্ক পরিয়ে প্রবেশ করানো, থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা পরীক্ষা করা, তাপমাত্রা ১০০’র বেশি হলে তাদের আলাদা করে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া, যদি করোনা পজিটিভ হয় সেক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা। তিনি বলেন, নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মিল, ফ্যাক্টরি, কল কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আওয়ার ইসলাম, সারাবাংলা

[৭] শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের মহাপরিচালক ড. আনিসুল আওয়াল বলেন, ১৭ মার্চকে আমাদের ক্যালেন্ডারে এক তারিখ ধরে একটি নতুন ক্যালেন্ডারের প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছি। যা পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ক্যালেন্ডার আগামী বছর ছাপা হবে ১০১ মুজিববর্ষ হিসাবে। যা যুগ থেকে যুগান্তরে কাল অতিক্রম করে যাবে বলে বিশ্বাস করি। এই ক্যালেন্ডারটি বাংলা ও ইংরেজিতে করা হয়েছে। এই ক্যালেন্ডার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো ফোর-ইন-ওয়ান। ঢাকা ১৮

[৮] লিপিয়ার মাস সমন্বয়ের বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, এই ক্যালেন্ডারে কোনো লিপিয়ার নেই। প্রতিটা মাসকে এমনভাবে ধরা হয়েছে যেখানে লিপিয়ার মাস ২৮ দিনই থাকবে যুগ থেকে যুগান্তর। ফলে এখানে ২৯ দিনে মাস আসবে না কিন্তু ৩৬৫ দিন হিসাবে বছর গণনা করা হবে। আগামীকাল ইংরেজিতে ১৭ মার্চ আর মুজিববর্ষ হিসেবে বছরের প্রথম দিন। আমরা ১৭ তারিখ থেকে এক দুই তারিখ হিসাবে গুণে ৩৬৫ দিন করা হয়েছে, এটার কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। কিন্তু ইংরেজিতে কয়েক ঘণ্টা বেশি থাকে তাই চার বছর পর পর একদিন বেড়ে যায়। আমরা অনেক আধুনিক ক্যালেন্ডার মেনে এটা তৈরি করেছি। এই ক্যালেন্ডারে ওই দিনের কোনো পরিবর্তন হবে না। ঢাকা ১৮

[৯] এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, ড. রেজাউল হক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু এবং কেন্দ্রীয় তহবিলের মহাপরিচালক এবং এ ক্যালেন্ডারের রূপকার ড. আনিসুল আওয়ালসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত