প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাসে সহযাত্রীকে তোয়াক্কা না করে, মুখে হাত কনুই কিছুই না দিয়ে অনেকেই হাঁচি-কাশি দিচ্ছেন

বীথি সপ্তর্ষি: আল্লার ওয়াস্তে এইবেলা ‘আতঙ্কিত হবেন না’ বলা বন্ধ করেন। কেউই আসলে আতঙ্কিত নয়। আমরাই সম্ভবত একমাত্র দেশ, করোনা নিয়ে যাদের মিনিমাম চ্যাতব্যাত নাই। ভাবছিলাম করোনা আতঙ্কে তাও যদি মানুষ একটু সচেতন হয়, একটু সভ্য হয়। কিন্তু লোকে আজকেও টং দোকানে বসে এক হাতে মোবাইল টিপতে টিপতে নিশ্চিন্ত মনে নাক খুঁটছে। বাসে সহযাত্রীর তোয়াক্কা না করে মুখে হাত-কনুই কিছুই না দিয়ে আনাম হাঁচি-কাশি দিয়ে যাচ্ছে। কাশি শিষ্টাচার মানতে বললে হাঁচি ভালো জিনিস। এর মাধ্যমে শরীরে ঢুকে পড়া ধুলোবালি বের হয়ে যায় মর্মে লেকচার দিয়ে দিচ্ছে। হাঁটতে হাঁটতেই কফ-থুতু ফেলে অন্যান্য পথচারীদের ভিজিয়ে দিচ্ছে। কপাল থেকে ঘাম নিয়ে বাসের সিটে মুছে ফেলছে এবং নাক খোঁটা, রাস্তায় মোতা, ঘাম মোছা একই হাত দিয়ে ওভারব্রিজের রেলিং, রিকশার হুড, বাসের হাতল, অফিসের দরজার নব, লিফটের বোতাম, ফিল্টারের কল সব ধরছে। আপনাদের কী মনে হয়, এই মানুষগুলোর মধ্যে আতঙ্ক বলে মিনিমাম কোনো জিনিস আছে?

কয়েকদিন আগে অফিসে এক সহকর্মীর অতিথি এসেছেন। শিক্ষিত, তরুণ, স্মার্ট, শার্ট-টাই পরা ভদ্রলোক। তো তিনি খালি মুখে কাশি দেয়ার কারণে উপস্থিত আমরা তিনজনই আপত্তি তুললাম। তিনি বললেন, এসব পশ্চিমা এটিকেট। আমি অপছন্দ করি। আপনারা কেউ যদি ওরিয়েন্টালিজম নিয়ে জেনে থাকেন। এই যদি হয় অবস্থা আর আপনারা যদি বলেন আতঙ্কিত না হতে তো মানুষ আসলে কী করবে বলেন তো। কেউই বুঝতে পারছে না এই ভাইরাস কতটা ভয়াবহ, এই ভাইরাস কার কতখানি ভেঙে নিয়ে যাবে। তার চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার করোনা জিওগ্রাফি, খাদ্যাভ্যাস, খাসলত দেখে-টেখে একেক অঞ্চলে এক এক রকম বিহেইভ করছে। চেনা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়া সহজ কিন্তু যে শত্রুর সবকিছু আনপ্রেডিক্টেবল তার সঙ্গে লড়তে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে উপায় আছে? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত