প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার প্রভাবে ভারতে মুরগির কেজি মাত্র ১০ রুপি, লোকসানের মুখে খামারিরা

ইয়াসিন আরাফাত : [২] করোনার আতঙ্কে ভারতের পোলট্রির ব্যবসাতে ধস নেমেছে। ব্যবসা বাঁচাতে মাত্র ১০ টাকা কেজিতেই মুরগি বিক্রি হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে।এনডিটিভি, কোলকাতা ২৪, জি নিউজ

[৩] খামারিদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম গুজবের কারণে বর্তমানে মুরগির মাংস ও ডিম কেনার প্রবণতা কমে গেছে।

[৪] মহারাষ্ট্রের এক চাষি জানান, করোনার জেরে এখন একশো শতাংশ লোকসানে চলছে পোলট্রির ব্যবসা।কয়েক সপ্তাহ আগে যদিও ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে এক কেজি মুরগির মাংস বিক্রি হয়েছে। সেই টাকাই এখন দাঁড়িয়েছে ১০টাকায়।

[৫] পুনের এক পোলট্রি ফার্মের মালিক প্রমোদ হিঙ্গে জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহে আমার প্রায় ১০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। বাজারে একদম মুরগির চাহিদা নেই। ফলে প্রান্তিক গ্রামে গাড়ি করে খুব কম দামে মুরগি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

[৬] অন্যদিকে, ভারতের পশু-প্রানী বিভাগ ও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার সঙ্গে মুরগির কোনো সম্পর্ক নেই। বার্ড ফ্লু নিয়ে আগে থেকেই মানুষের মনে ভীতি রয়েছে। সেই থেকেই তারা ভাবছেন করোনাভাইরাসও মুরগি থেকে ছড়ায়।

[৭] অ্যাসোশিয়েসনের প্রেসিডেন্ট বসন্ত কুমার শেট্টি জানিয়েছেন, গোটা মহারাষ্ট্রের পোলট্রি চাষীরা কয়েক সপ্তাহ আগে মোট ৭০০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে এক কেজি মুরগির মাংস বিক্রি হয়েছে মাত্র ৭০টাকায়। সেই দাম বর্তমানে ১০ থেকে ২০ টাকায় নেমে গিয়েছে।

[৮] মহারাষ্ট্রে পোলট্রি ব্যবসায় এমন করুণ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের পোলট্রি ব্রিডারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। তাদের জানায়, এই ক্ষতির জন্য সরকার আমাদের জন্য কিছুটা ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা জানি না কীভাবে ব্যাংকের লোন, বিদ্যুতের বিল ও মাসিক খরচ চালাব। কেন্দ্রের কাছেও ক্ষতিপূরণ চেয়ে অনুরোধ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত