প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে গাছের পাতায় প্রতিদিন জমছে ৪৩৬ টন ধুলিকনা : গবেষণা

নিউজ ডেস্ক : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্টামফোর্ডের পরিবেশ বিজ্ঞানের গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন বলছে, পাতার ওপর ধুলি কনা জমায় ব্যাহত হচ্ছে সালেক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া। ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করতেও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে গাছ। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

রাজধানীর গুলস্তান পার্কের গাছের নিচ থেকে পাঁচ-ছয় ফুটে থাকা পাতায় ধুলা জমেছে বেশি। কারণ, এ বৃত্তাকৃতির পার্কটির চারপাশে দিয়েই চলাচল করে যানবাহন। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি পরিবেশ বিজ্ঞানের তথ্য বলছে, এ পার্কটিতে ৭২ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৫৩.৮২ মাইক্রোগ্রাম ধুলি কনা জমে। এছাড়া রমনা, বোট্যানিক্যাল গার্ডেন ও চন্দ্রিমা উদ্যানের অবস্থা প্রায় একই রকম।

গবেষণা বলছে, রাতে যখন রাস্তা ফাঁকা থাকে তখন গাড়ি দ্রুত চলে। সে কারণে রাতে বাতাসে ধুলি কনার অস্তিত্ব বাড়ে। এছাড়া পাতার ওপর ধুলি কনা জমায় ব্যাহত হচ্ছে সালেক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া। ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করতেও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে গাছ।

পরিবেশ বিজ্ঞানী এ. আতিক রহমান বলেন, ধুলা দূষণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে কমে যেতে পারে সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা। এর জন্য প্রয়োজন অবকাঠামো তৈরি, সম্প্রসারণ ও মেরামত করার সময় খনন করা মাটি ও অন্যান্য সামগ্রী রাস্তায় ফেলে না রাখা। পাশাপাশি ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ এবং পুরানো যানবাহন শহর থেকে তুলে দেয়া।

রাজধানীর গাছের পাতায় ধুলিকনা জমার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে কথা বলতে রাজি হননি পরিবেশ অধিদপ্তর মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহাম্মদ। পরে বিরক্ত প্রকাশ করে উল্টো এ সমস্যা সমধানে গণমাধ্যম কি ভূমিকা রাখছে সে প্রশ্ন করেন তিনি।

গবেষণার তথ্য বলছে, রাজধানীর ৩০৬.৩৮ বর্গকিলোমিটার মধ্যে ৯৬.৪৮ বর্গকিলোমিটার বৃক্ষে আচ্ছাদিত। যাতে প্রতি তিন দিনে ১৩১০ মেট্রিকটন ধুলা জমে আর তা মাসে হয় ১৩১০১ মেট্রিকটন। অনুলিখন : হ্যাপি আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত