প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেখক রইজ উদ্দিনের ১০ কীর্তি

 

মাসুদউজ্জামান: (১) মাত্র ১১ বছর বয়সে বীর বালক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু দুঃখের বিষয় তিনি কোনো সরকারি ‘বীর’ পদক পাননি। (২) মাদার তেরেসার নামে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ভুয়া একটি প্রতিষ্ঠানের ‘সম্মানসূচক’ মাদার তেরেসা পুরস্কার পেয়েছেন। (৩) নৌবাহিনীর টিনেজার ক্যাডেটরা যে পদক পায়, তিনি তা তিনবার পেয়েছেন। (৪) নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি সাহিত্য সংগঠন থেকেও তিনি পদক গ্রহণ করেছেন। নিজের ঢাক নিজে পেটানোর ব্যাপারে তিনি সুদক্ষ। (৫) সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার পর তিনি সদ্য অবসরে গেছেন।

(৬) তার স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তি ভবিষ্যতে সরকারি কর্মকর্তাদের পুরস্কার পাওয়ার পথ সুগম করেছে। এজন্য তিনি ভবিষ্যতে যেসব সরকারি কর্মকর্তা পদক পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন, তাদের কৃতজ্ঞতাভাজন হয়ে থাকবেন। (৭) কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদদীন, সুফিয়া কামালের চেয়েও বেশি আরেক গৌরবের মাইলফলক স্থাপন করেছেন। তারা কেউ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন না, কিন্তু কবি রইজ সেই কীর্তি প্রথম স্থাপন করলেন। (৮) সাহিত্যে গ্রাম্যতাই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। এই কীর্তিটিও আবার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনলেন তিনি। (৯) ভাষার মাসে বাংলা বানান, বাক্য ভুল হওয়াটাও স্বাভাবিক। স্বতস্ফুর্ত কবির শব্দ ও বাক্য তো স্বতঃস্ফুর্তই হওয়ার কথা। (১০) অচিরেই তিনি পাঠ্যপুস্তক এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাহিত্যিক হিসেবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এই দশটি কীর্তি স্থাপনের জন্য সমগ্র জাতি তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে নিঃসন্দেহে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত