প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাডার ব্যবস্থা আধুনিক না হওয়ায়, রাজস্ব হারাচ্ছে দেশ

লাইজুল ইসলাম: ২০১২ সালে মিয়ানমার ও ভারতের কাছ থেকে যে সমুদ্রসীমা পেয়েছে বাংলাদেশ তার আকাশসীমা এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ অবস্থায় ওই সীমানায় বিদেশী কোনো আকাশযান ঢুকে পড়লেও তা জানতেই পারছে না কর্তৃপক্ষ।

আকাশপথ নিয়ন্ত্রণের জন্য ঢাকায় যে রাডার রয়েছে সেটি দিয়ে নেভিগেশন করা যায় দুশো নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। আর চট্টগ্রামেরটির সক্ষমতা আড়াইশো নটিক্যাল মাইল। তবে দুটির বয়সই এখন ৩০ বছরের বেশি। এগুলো নিয়ন্ত্রণে যে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার করা হয় সেটিও স্বয়ংক্রিয় নয়।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহেদুল আলম বলেন, পুরানো রাডার দিয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকা আকাশপথেই নজরদারি চালাতে হিমসিম খাচ্ছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তারওপর প্রায়ই বিকল থাকছে রাডারগুলো। এমন সময় দেশের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, অনেক দেশ ড্রোন দিয়ে তাদের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ করছে। সীমান্তে অনেকের অনেক রকম স্বার্থ সংশ্লীষ্ট মুভমেন্ট আছে। এসব বিষয়ে নিজেদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক রাডার ক্রয় করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন ওয়াহেদুল আলম।

বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে বলেন, কিছু অংশ আমাদের হাতের বাইরে রয়েছে। তবে এগুলো হাতের নাগালে নিয়ে আসতে দ্রুতই কেনা হচ্ছে রাডার। ক্যাবিনেট কমিটিতে এর জন্য অর্থ ছাড়েরর অনুমোদন হয়ে গেছে।ক্যাবিনেট থেকে একটি স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয়েছে। সেটি ইতমধ্যে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কমিটি যাচাই বাছাই করেছে।

তিনি বলেন, স্পেসিফিকেশনটি ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন আইকাতে পাঠানো হয়েছে। যাতে আন্তর্জাতিক মানের রাডার পাওয়া যায়। এই ধরণের রাডার আসলে সেন্টমার্টিনসহ সুন্দরবনের কিছু অংশ যা বর্তমানে রাডারের বাইরে আছে তা সার্ভিল্যান্সের ভিতরে চলে আসবে।

তবে রাডার না আসা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা আকাশসীমায় এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ওভার ফ্লাইং চার্জ থেকে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত