প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কেউ মরতে এলে তাকে কিভাবে বাঁচানো যায়? নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের

সাইফুর রহমান : নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভে উত্তরপ্রদেশে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হলেও রাজ্য মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পুলিশের গুলিতে কোনও আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয় নি। বরং নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতেই তারা প্রাণ হারিয়েছেন। নিউজ১৮, ইন্ডিয়া টুডে

রাজ্য বিধানসভায় বক্তৃতাকালে বিক্ষোভকারীদের দাঙ্গাবাজ আখ্যা দিয়ে আদিত্যনাথ বলেন, ‘উপদ্রবি উপদ্রবিকে গোলি সে মরে হ্যাঁয়’। এসময় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, কেউ কোনও নিরপরাধ ব্যক্তিকে মারতে গেলে পুলিশ তাকে চ্যালেঞ্জ করবেই। এতে হয় সে মরবে, নয়তো পুলিশ মরবে।

তবে বিজনৌরের পুলিশ সুপার সঞ্জীব ত্যাগী জানান, মোহাম্মদ সুলেমান নামক বিজনৌরের ২০ বছরের এক যুবককে আত্মরক্ষার খাতিরে গুলি করেন কনস্টেবল মোহিত কুমার। এ ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করা হয়। এছাড়া গত মাসে পুলিশের দায়ের করা দাঙ্গা ও খুনের মামলায় দুই বিক্ষোভকারীকে জামিন দেয়ার সময় পুলিশের সমালোচনাও করে আদালত। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারে নি পুলিশ।

এছাড়া উত্তরপ্রদেশের বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভকালে পুলিশ ও প্রশাসনের ভ‚মিকার তীব্র সমালোচনা করে প্রত্যেকটি মৃত্যুর বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন। এদিকে সমাজবাদী পার্টিও দাবি করে, পুলিশ ও বিজেপি সমর্থকদের গুলিতেই আন্দোলনকারীদের মৃত্যু হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত