শিরোনাম
◈ ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, পেছনে ভারত-পাকিস্তান ◈ গণভবনের সামনে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, দায় নিতে চায় না দুই থানা ◈ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়ার আহ্বান ◈ কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি, রপ্তানির আশা মন্ত্রীর ◈ মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে কী হতে যাচ্ছে ◈ যে কারণে ভারত-পাকিস্তান কখনও একে অপরের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় না! ◈ উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ওঁরাও-মাহাতো জনগোষ্ঠীর জন্য সুখবর, বিশেষ ভাতা দিচ্ছে সরকার ◈ নেতানিয়াহুকে সামলানো অসম্ভব, তিনি বোমা মেরে পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে চান: ট্রাম্প

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের উইঘুর মুসলিমদের বন্দি রাখার গোপন নথি ফাঁস

ইয়াসিন আরাফাত : চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির দ্বারা বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে দেশটির উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘু লোকজনসহ বেইজিংয়ের গণ আন্দোলনের ন্যায্যতা দাবি করা অনেক নাগরিকদের বন্দি করে রাখার একটি গোপন নথি ফাঁস করেছে দেশটির কিছু উইঘুরের সোচ্চাররা। এটা ছিলো তৃতীয়বারের মত চীন সরকারের বিরুদ্ধে স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁসের খবর।ফাঁস হওয়া গোপন নথিটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, চীনের উইঘুরে মুসলিম সম্প্রদায়ের কেবল একটি পরিবার নয়, শতশত পরিবার কিংবা দেশটির লক্ষ লক্ষ নাগরিককে তুচ্ছ কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য গোপনে আটকে রাখা হতো। উইঘুরের মুসলিম সম্প্রদায়কে তাদের ধর্মীয় ও সংস্কৃতিক মৌলবোধ থেকে বিচ্যুত করতে চীনা সরকারের একটি ভয়ংকর কৌশল উঠে এসেছে এ নথিতে।

ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়, সরকারি স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে সেখানকার লোকজনের কাজকর্ম, ধর্মীয় রীতিনীতি, বিশ্বস্ততা ও কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতার মাত্রাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে চীন সরকার দাবি, চলমান চরমপন্থিদের গণবিচ্যুতকরণের জন্য এটি একটি প্রক্রিয়া। যেটি কিনা একটি বিশেষজ্ঞ টিমদ্বারা পরিচালিত হয়। এ নথিতে দেখানো লোকগুলোকে কেবল ওড়না পড়া ও দীর্ঘ দড়ি বাড়ানোর জন্য আটক করা হয়।

ফাঁস হওয়া নথি নিয়ে সিএনএন বলছে, আপাতদৃষ্টিতে ফাঁস হওয়া নথিগুলোকে চীনের স্থানীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্রীয় নজরদারির বিস্তারিত ও সুদূর প্রসারী ব্যবস্থা বলে মনে হবে। যা চীনা নাগরিকদের তাদের সংস্কৃতি ও ধর্মকে শান্তিপূর্ণভাবে পালনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়