প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাড়ন্ত রেমিটেন্স দেশকে কতক্ষণ বাঁচাবে বলে আপনারা মনে করেন?

অপরাজিতা নীল : বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের সার্বজনীন ভরসার জায়গাটা ছিলো সম্ভবত পোস্ট অফিসে টাকা রাখা বা সঞ্চয়পত্র কেনা। পোস্ট অফিসের সঞ্চয়পত্র আগে যেটা ছিলো ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ, এখন তা এক ধাক্কায় ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগে সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করেছিল সরকার। যে পেনশন ভোগিরা নিজেদের জীবনের সমস্ত সঞ্চয় জমা রেখেছিলেন বা রাখতে চাইছিলেন পোস্ট অফিসে নিশ্চিন্তে বাকি জীবন চলার জন্য, তাদের এখন কেমন করে চলছে বা চলবে, সে খবর রাখেনি কেউ।

বাড়ন্ত রেমিটেন্স দেশকে কতক্ষণ বাঁচাবে বলে আপনারা মনে করেন? তথাকথিত উন্নয়নমূলক কাজ বলতে আসলে কাজের কাজ কতটা হচ্ছে? রেমিটেন্সের টাকা ঠিক প্রোডাক্টিভ কোন কোন খাতে খরচ হচ্ছে? কটা নতুন ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে দেশে? রাজস্ব কমে যাওয়ায় সরকার প্রথমে হাত দিয়েছে ব্যাংকে। ছয় মাসের মধ্যে এক বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ঋণ করেছে সরকার। তারপর নতুন আইন করে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর অর্থে হাত দিয়েছে। এখন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শেয়ার পুঁজিবাজারে দেওয়া হচ্ছে ব্যাংকের হারানো তহবিলের ঘাটতি কমাতে। অথচ ব্যাংকের টাকা যারা নিয়ে গেছে, তাদের ধরছে না। অথচ, চোরদের আঙুলে আঙুল জড়িয়ে আমাদের নির্লজ্জ অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, তিনি বিশ্বসেরা অর্থমন্ত্রী।

দুর্বল মানুষদের টাকা ছিনিয়ে নেয়া সহজ। চোর-ডাকাতও তাদের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়, সরকারও তাদের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়। সেকারণেই দুর্বল পেনশন ভোগীদের জমিয়ে রাখা আয় হয়ে যায় অর্ধেক আর সেই ছিনিয়ে নেওয়া টাকার থেকে ইউএনওদের দেয়া হয় ৯৪ লাখ টাকার গাড়ি। রাজনীতি, আহা রাজনীতি। বেশ্যাকে তবু বিশ্বাস করা চলে, রাজনীতিকের ধ্বমনী শিরায় সুবিধাবাদের পাপ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত