প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চীনে করোনায় আক্রান্ত ১০ হাজার মৃতদেহ পোড়ানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। গত বছরের শেষ দিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। চীনের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের ২৫ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। করোনাভাইরাসে চীনের বাইরে ৩জন মারা গেছে। তবে কয়েক হাজার ব্যক্তির মৃতদেহ চীন জ্বালিয়ে দিয়েছে বলে কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। প্রথম আলো

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট উইন্ডি ডটকমের ছবির বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল ও দ্য এক্সপ্রেস ডট কম এ খবর প্রকাশ করেছে।

স্যাটেলাইট ইমেজ দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১০ হাজার ব্যক্তির মৃতদেহ জ্বালিয়ে দিয়েছে দেশটি। বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের মধ্যে উহান শহরে উচ্চমাত্রার সালফার ডাই-অক্সাইডের (SO2) ব্যাপক উপস্থিতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এতে সেখানকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার আভাস মিলছে। উহান শহর থেকেই করোনাভাইরাসের বিস্তার হয়।

সম্প্রতি উহান শহরের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশিত হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বাতাসে সালফার ডাই–অক্সাইডের মাত্রা এতো তীব্র যে ওই এলাকাগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। ওই অঞ্চলে বাতাসে সালফার ডাই–অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১ হাজার ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার (g/m3)। প্রতি ঘনমিটারে ৮০০–এর বেশি সালফার ডাই–অক্সাইড থাকলে তা যথেষ্ট ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার সময় এই সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ভস্মীভূত করলেও সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। চীনের উহান শহরে এ ধরনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, উহানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

উহান ছাড়াও চীনের চোংকিয়াং এলাকার বাতাসের সালফার ডাই–অক্সাইডের মাত্রা বেশি। উহানের পর দক্ষিণ চীনের এ এলাকা সবচেয়ে করোনায় আক্রান্ত। এখানে প্রতি ঘনমিটারে বাতাসে সালফার ডাই–অক্সাইডের পরিমাণ ছিলো প্রায় ৮০০।

ওই অঞ্চলে বাতাসে সালফার ডাই–অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১ হাজার ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার (g/m3)। প্রতি ঘনমিটারে ৮০–এর বেশি সালফার ডাই–অক্সাইড থাকলে তা যথেষ্ট ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়।

ইউরোপের কোনো অঞ্চলে বাতাসে ১৫ মিনিট ধরে সালফার ডাই–অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫৩৩ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার হয়, তবে তা উচ্চ হার বলে ধরা হয়। অনুলিখন : হ্যাপি আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত