প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাগুরায় বিআরটিএ অফিসে গ্রাহক বিড়ম্বনা

আসিফ কাজল ( মাগুরা থেকে ফিরে) : সদ্যকেনা মোটর সাইকেল ক্রয় করে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে বাইক রেজিস্ট্রেশন বাবদ টাকা জমা দিয়েছেন সোহাগ নাবিল। একমাস পর শোরুম থেকে মোটরসাইকেলের পেপার্স জমা দিতে এসেছেন মাগুরা বিআরটিএ অফিসে। মোটরযান পরিদর্শক রবিউল ইসলাম তাকে জানান, এভাবে বাইকের কাগজ জমা নেয়া হয় না। মোটরসাইকেল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান এই কাগজ পাঠালে তবেই জমা নেয়া হবে।

সোহাগ বলেন, এরপর শোরুমে গেলে মোটরসাইকেল বিক্র‍য় প্রতিষ্ঠান পেপারস করতে দেড় হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন। যার একহাজার টাকা বি আর টিএ অফিস পাবে, ৫০০টাকা তারা রেখে দিবে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সে আবার বি আরটিএ তে আসলে তার ১২৫ সিসি বাইক রেজিস্ট্রেশন ও কাগজ জমা দিতে পুলিশ ভেরিফেকেশন ক্লিয়ারেন্স লাগবে বলে মোটরযান পরিদর্শক জানান।

তবে মাগুরা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রধান ডি আই ১ রাশেদুল কবীর বলেন, ১৫০ সিসির উপরে বাইকের জন্য পুলিশ ভেরিকেশন করা হয়। ১২৫ সিসির জন্য কোনো ভেরিফিকেশন করা হয় বলে আমার জানা নেই।

শুধু বাইক রেজিস্ট্রেশন নয়, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষানবিশ লাইসেন্স, প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা। এছাড়াও মাগুরায় মোটর‍যান ফি জমা দেওয়ার সংশ্লিষ্ট কোন ব্যাংক না থাকায় টাকা জমা দিতেও ভোগান্তিতে রয়েছেন মোটরযান সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা।

সেবা প্রত্যাশীরা অভিযোগ করেন, বাইকের কাগজ, ছবি তুলতে গেলে দালালদের খপ্পড়ে পড়তে হয়। পরীক্ষা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া দুস্কর হলেও দালালের মাধ্যমে দ্বিগুন টাকায় লাইসেন্স পাওয়া অনেক সহজ।

এ বিষয়ে মাগুরা বি আর টি এ সহকারি পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, আমাদের নিয়ম হলো ১১০ সিসির উপরের মোটরযানগুলোর পুলিশ ভেরিফিকেশন করা। সেক্ষেত্রে গ্রাহক বিবেচনায় আমরা বুঝলে সাধারণত ১৬০ সিসির উপরে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত