প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চীনে খাদ্য-পানি সঙ্কটে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট : গাজীপুরের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য চীনে পড়াশোনা করছেন। সেখানে করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আতঙ্কে আছেন তারা। পাশাপাশি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে স্বজনদেরও। জেলা প্রশাসক জানান, অভিভাবকরা চাইলে সহযোগিতা করা হবে।সময় টিভি

জাহিদ হাসান, গাজীপুরের ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী। উচ্চশিক্ষা নিতে অবস্থান করছেন চীনে। সেখান থেকে ভিডিও বার্তায় জানান, দিন দিন করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করছে চীনে, কিছুতেই কমছে না ভয়াবহতা। তার সাথে বাংলাদেশি সহপাঠীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় তিনি দেশে আসতে আকুতি জানিয়ে বার্তাটি স্বজনদের পাঠিয়েছেন।

সন্তানের এমন আকুতি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই শিক্ষার্থীর মা গোলাপী বেগম। বিপদ থেকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি আবেদন জানান তিনি। তার মতো আতঙ্কে আছেন গাজীপুর থেকে চীনে পড়তে যাওয়া অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও। সম্প্রতি সেখানে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় চরম আতঙ্কে আছেন শিক্ষার্থীরাও।

চীনে অধ্যয়নরত গাজীপুরের আরেক শিক্ষার্থী নওশাদ রহমান নিশাত বলেন, বাইরের সব বাজার, বাঙালি ক্যান্টিন বন্ধ রয়েছে। চাইনিজ খাবারে অভ্যস্ত নন। পাশের একটি শহরে ৩৪ জন বাঙালি আটকে আছেন। তাদের ঘর থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না বলেও তিনি ভিডিও বার্তায় জানান।

চেঙ্গু ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী নওশাদ রহমান নিশাত বলেন, খাবার নিয়ে সমস্যা হচ্ছে অনেক। সব ক্যান্টিন বন্ধ। চাইনিজ খাবারেও অভ্যস্ত নই আমরা।

চীন থেকে সম্প্রতি দেশে ফেরা কয়েকজন শিক্ষার্থীও সেখানকার নানা সমস্যার কথাও জানান।

চীন ফেরত একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, সব লকডাউন করে রাখা হয়েছে। দ্রুত সবাইকে নিয়ে আসা উচিত।

এ অবস্থায় চরম উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে স্বজনদের। মরণঘাতী এ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষায় সন্তানকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

অভিভাবকরা বলেন, আমরা খুব চিন্তায় আছি আমাদের সন্তানদের নিয়ে। সরকার যদি তাদের আনার ব্যবস্থা করতো আমাদের জন্য উপকার হতো।

এদিকে জেলা প্রশাসক বলছেন, অভিভাবকরা যদি সহযোগিতা চান তাহলে স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা করা হবে।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে কোনো অভিভাবক এখনও আমার কাছে আসেনি। তারা যদি আসে তাদের যতটুকু করার আমরা করব।

গাজীপুর পরিসংখ্যান অফিসের তথ্য মতে, জেলার শতাধিক শিক্ষার্থী চীনের বিভিন্ন প্রদেশে উচ্চতর শিক্ষার জন্য অধ্যয়নরত আছেন।
চীনে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে একদিনেই ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু এটাই। শুধু হুবেই প্রদেশেই মারা গেছেন ২৪২ জন। বুধবার মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৪৪ জন। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫৭ জনে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত