প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কৃষি উন্নয়নে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

আনিস তপন: কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরসি) টেকসই ও নিরাপদ খাদ্যের উন্নয়নে সহায়তার জন্য গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের অংশীদারিত্বের কাজ করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও কানাডা।এসময় কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সফররত কানাডা’র সাসকাচোয়ান সরকার এর কৃষিমন্ত্রী ডেভিড মারিট উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা চুক্তিতে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন বিএআরসি নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার এবং কানাডা’র জিআইএফএস এর চিফ অপারেটিং অফিসার স্টিভ ভিসার।

চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যর কথা উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন্ পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন।

তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, সীমিত সম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উদাহরণ। এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে সবজি রফতানির পাশাপাশি ধান, গম ও ভুট্টা উৎপাদনে বিশ্বের গড় উৎপাদনকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। তাছাড়া বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও দুর্যোগ সহিষ্ণু শস্যের জাত উদ্ভাবনেও শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য নিশ্চয়তার অঙ্গিকার রয়েছে জানিয়েড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষির উন্নয়নের সঙ্গে দেশের সার্বিক উন্নয়ন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই সরকারও কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোড় দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত নতুন নতুন জাতসমূহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ, শস্য বহুমুখীকরণ, আধুনিক প্রযুক্তি হস্তান্তর, শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধিসহ নানা পদক্ষেপ নেয়ার ফলে কৃষি পণ্যের উৎপাদন উর্ধমুখী রয়েছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি ও কৃষকের জন্য সরকার সবোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উৎপাদন খরচ হ্রাসে সারের খুচরা মূল্য কমানো, কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ৫০শতাংশ এবং হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

সাসকাচোয়ান কৃষিমন্ত্রী, মি. ডেভিড মেরিট বলেন : আমাদের গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহোগিতামূলক সম্পর্ক এটি একটি মাইলফলক। আমরা ভবিষ্যতে আমাদের সম্পর্ককে আরও জোরদার করে কৃষির উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবো। যা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘকালীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশে একটি কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত