শিরোনাম
◈ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনা হচ্ছে: জয়সওয়াল ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে: সাবেক কূটনীতিক ◈ সড়ক আইন ভাঙলে যাত্রী-পথচারীকেও জরিমানা, আসছে নতুন আইন ◈ শুক্রবার থেকে এমপিও শিক্ষকদের বদলির আবেদন, চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ◈ অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে করার উদ্যোগ ◈ চোরাচালান ও আটক পণ্য নিষ্পত্তিতে এনবিআরের নতুন আদেশ জারি ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট বৃহস্পতিবার: ইসি সচিব ◈ সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকার কেন পাল্টালো অর্থবছরের সময়কাল, কি সুবিধা মিলবে? ◈ সরকারি চাকরি জনগণের সেবা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৫ সকাল
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোক্তাদের বোকা বানাচ্ছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশ প্রতিদিন : করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে আমদানি করতে পারছে না এমন অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অথচ চীন থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানি হয় খুবই সামান্য পরিমাণে। মূলত করোনা ভাইরাসের নাম দিয়ে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের বোকা বানাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন আমাদের সময়কে বলেন, আমদানিকারকরা করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখাচ্ছেন। কিন্তু খাদ্যপণ্য আমদানিতে কোনো নিষেধজ্ঞা নেই। ব্যবসায়ীরা আমদানিও বন্ধ করেননি। আর চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় খুবই সামান্য। মূলত ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফার জন্য সবসময় অজুহাত খোঁজেন। করোনা ভাইরাসও তেমন একটি অজুহাত।

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চার মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৫৮ হাজার ২৭৪ টন। এই সময়ে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ২২৮ টন। অবশিষ্ট পেঁয়াজ বিশ্বের সাত দেশ থেকে আমদানি করা হয়। ওই দেশগুলো হলো- তুরস্ক, মিসর, মিয়ানমার, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস। ব্যবসায়ীরা ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে নতুনভাবে পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য আমদানি অনুমতিপত্র (এলসি) নিয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৩২ টন। এর মধ্যে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য কোনো এলসি খোলা হয়নি।

উল্লিখিত চার মাসে মিয়ানমার থেকে এক হাজার ২৮ টন, মিসর থেকে ১৩ হাজার ৪১ টন, তুরস্ক থেকে ১৭ হাজার ৮৪০ টন, পাকিস্তান থেকে ৮ হাজার ৩৯ টন, সংযুক্ত আবর আমিরাত থেকে ৯৪৯ টন, শ্রীলংকা থেকে ৬৩৩ টন ও নেদারল্যান্ডস থেকে ১ হাজার ৫৩৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। দেখা যায়, চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ মোট আমদানির মাত্র ২৬ শতাংশ। এর মধ্যে দেশীয় পেঁয়াজও পর্যাপ্ত বাজারে এসেছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়