শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে মদিনা-জেদ্দা সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত ◈ মুশফিকের রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ইনিংস তাওহিদ হৃদয়ের ◈ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জবাব ঐক্যবদ্ধভাবেই দেওয়া হবে: তারেক রহমান ◈ কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি কেটে ৬৩ কোটি টাকার সড়ক, পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্ক ◈ গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, সর্বোচ্চ ১১ হাজার টাকা ও ১৫০ টাকা মোবাইল ভাতা ঘোষণা ◈ বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ ১১ হাজার ৩৪৩ কোটি ডলার, ১০ বছরে বেড়েছে তিন গুণ: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ◈ ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে না দেওয়াই ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ৪০ কোটি টাকা না দিলে দলে থাকবেন না! আইপিএলের তারকাদের অবিশ্বাস্য দাবি ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে মানতে হবে ইরানের ৭ শর্ত: বাকেরি ◈ বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিনতাই, আটক ৪ নারী

প্রকাশিত : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৫ সকাল
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোক্তাদের বোকা বানাচ্ছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশ প্রতিদিন : করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে আমদানি করতে পারছে না এমন অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অথচ চীন থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানি হয় খুবই সামান্য পরিমাণে। মূলত করোনা ভাইরাসের নাম দিয়ে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের বোকা বানাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন আমাদের সময়কে বলেন, আমদানিকারকরা করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখাচ্ছেন। কিন্তু খাদ্যপণ্য আমদানিতে কোনো নিষেধজ্ঞা নেই। ব্যবসায়ীরা আমদানিও বন্ধ করেননি। আর চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় খুবই সামান্য। মূলত ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফার জন্য সবসময় অজুহাত খোঁজেন। করোনা ভাইরাসও তেমন একটি অজুহাত।

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চার মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৫৮ হাজার ২৭৪ টন। এই সময়ে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ২২৮ টন। অবশিষ্ট পেঁয়াজ বিশ্বের সাত দেশ থেকে আমদানি করা হয়। ওই দেশগুলো হলো- তুরস্ক, মিসর, মিয়ানমার, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস। ব্যবসায়ীরা ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে নতুনভাবে পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য আমদানি অনুমতিপত্র (এলসি) নিয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৩২ টন। এর মধ্যে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য কোনো এলসি খোলা হয়নি।

উল্লিখিত চার মাসে মিয়ানমার থেকে এক হাজার ২৮ টন, মিসর থেকে ১৩ হাজার ৪১ টন, তুরস্ক থেকে ১৭ হাজার ৮৪০ টন, পাকিস্তান থেকে ৮ হাজার ৩৯ টন, সংযুক্ত আবর আমিরাত থেকে ৯৪৯ টন, শ্রীলংকা থেকে ৬৩৩ টন ও নেদারল্যান্ডস থেকে ১ হাজার ৫৩৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। দেখা যায়, চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ মোট আমদানির মাত্র ২৬ শতাংশ। এর মধ্যে দেশীয় পেঁয়াজও পর্যাপ্ত বাজারে এসেছে।

 

  • সর্বশেষ