প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির হরতাল : জনগণের ওপর প্রতিশোধ কেন?

রবিউল আলম : গণতন্ত্র হরণ হয়েছে ক্ষমতায় কুক্ষিগত করতে জিয়ার ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে, আইয়ুব খান করেছিলেন চেয়ারম্যান ভোটে। ৭০-এর নির্বাচনে জনগণের মতামতের অধিকার ফিরে এলেও সরকার গঠন করতে পারেনি। সরকার গঠন করতে অনেক রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো। রক্তের দামে একটি মানচিত্র অর্জন। এই মানচিত্রে অনেক হায়ানা বারবার নখের আচর কেটেছে নির্বাচন পদ্ধতির জন্য। বারবার প্রশ্ন তুলেছে, নির্বাচনে জিতলে মেনেও নিয়েছেন, হারলে ভোট না-কি রাতেই বাক্স ভরেছেন। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ঘরানার কমিশনার মাহবুব তালুকদার স্পষ্ট করে বলেছেন, ইভিএম রাতে বাক্স ভরা বন্ধ হয়েছে, তার পরেও বিএনপির হরতাল। জনগণের ওপর প্রতিশোধ কেন। জনগণ তো উভয় দলকে ভোট দিয়েছে। জনগণকে কোনো দল ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেননি। তার পরেও একটি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করতে হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার করেছে। দায় কার ওপর চাপিয়ে বিএনপির হরতাল, বুঝতে পারলাম না। আওয়ামী লীগকে কি বিএনপিকে ক্ষমতা বুঝাইয়া দিয়া প্রমাণ করতে হবে এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক হয়েছে? বিএনপি জনগণের কাছে ভোট চাইতে যায় না, তারেক ও খালেদা জিয়ার অপরাধের জবাব দিতে হয়, নেতা কর্মীরা লজ্জা পায়। লন্ডনে বসে মনোনয়ন, মনোনিত সমর্থনের ব্যবসা করে কি আর জনগণের সেবক হওয়া যায়?

শেখ হাসিনার উন্নয়ন, দেশ পরিবর্তন, পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল কর্ণফুলি ট্যানেল পায়রা বন্দর, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জনগণ বঞ্চিত হতে চায় না বলেই নৌকায় ভোট দিতে হয়, দিয়েছে। পরিবর্তন হয়েছে নির্বাচন প্রদ্ধতির, হোন্ডা-গুন্ডার, ক্যাসিনোর ভোট কেন্দ্র দখলের নির্বাচন শেষ। জবাবদিহিতার রাজনীতি শুরু হয়েছে ইভিএমে। আগামীতে পোস্টার ভোটার সিলিপের প্রয়োজন হবে না, ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল নির্বাচন হবে, ঘরে বসে মোবাইলে ভোট দেবেন বিদ্যুৎ বিলের মত। বিএনপি-জামায়াত মানতে পারছে না। মিথ্যে রাজনীতি করতে পারবেন না বলে। লেখক : মহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত