প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিশরে খাৎনার পর কিশোরী নাদা আবদুল মাকসুদার মৃত্যু, বাবা-মাসহ গ্রেপ্তার ৪

সিরাজুল ইসলাম : আসওয়াত প্রদেশে ওই ঘটনায় চিকিৎসক ও মেয়েটির খালাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিবিসি

মেয়েটির চাচা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন। মেয়েদের যৌনাঙ্গের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলা যা এফজিএম (ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন বা খাৎনা) নামে পরিচিত। ২০০৮ সালে মিশরে এফজিএম’কে অপরাধ গণ্য করে নিষিদ্ধ করা হয়। তারপরও বিশ্বের সবচেয়ে বেশি এফজিএম করা দেশগুলোর একটি হলো মিশর।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, মিশরে ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ৮৭ শতাংশ নারীর এফজিএফ করা হয়। দেশটির ৫০ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে খাৎনা করা ধর্মের একটি অংশ।
সার্জারির পর থেকেই মেয়েটি নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তার মৃত্যুর পর মিশরে মানবাধিকার সংস্থাগুলো জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে।

জাতীয় শিশু ও মা কাউন্সিল এবং জাতীয় নারী কাউন্সিল ওই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার আহŸান জানিয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালিত নিউজ পোর্টাল আকবর-এলইয়ম এ খবর প্রকাশ করেছে। এফজিএমে এক কিশোরীর মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে এর শাস্তি বাড়ানো হয়। খাৎনার নামে অপ্রয়োজনে মেয়েদের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হয়। প্রসাবে সংক্রমণসহ নানা অনেক জটিলতা তৈরি হয়। জন্মের সময় সন্তানের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে। অনেক সময় গর্ভাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিশ্বে ২০০ মিলিয়নের বেশি নারী শিশু এফজিএমের শিকার হয়েছে। আফ্রিকা মহাদেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে মুসলিম ও খ্রিস্টান নারীদের এফজিএম করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত