প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই, বললেন রুমিন ফারহানা

তিমির চক্রবর্ত্তী : বিএনপি’র আন্তজার্তিক বিষয়ক সহ-সম্পদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, (৩০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে টকশোতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, জাতীয় বা স্থানীয় যে কোনো নির্বাচনেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কথাটা সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত হয়। দলগুলো বলে আসছে কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাচ্ছে না, প্রার্থীরা বলে আসছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পাচ্ছে না, প্রচার প্রচারণায় সমান সুযোগ পাচ্ছে না। যমুনা টিভি

তিনি বলেন, এই প্রথমবারের মতো নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেছেন নির্বাচন কমিশনের মধ্যেই কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।

যেহেতু সংখ্যালঘিষ্ঠ বা সংখ্যাগরিষ্ঠের একধরনের মত আছে তার মত যেহেতু ভিন্ন , সেই ভিন্ন মতটাকে আমলে নেয়া হচ্ছে না। তিনি চারটা অন অফিসিয়াল নোট দিয়েছেন তার একটাও গ্রহণ করা হয়নি।

রুমিন ফারহানা আরো বলেন, ঐ নির্বাচন কমিশনারের কোনো বক্তব্যই এজেন্ডাতে আসছে না। আলোচনার টেবিলেই উঠতে পারছে না। আলোচনার টেবিলে না আসাটাই হচ্ছে দুঃখজনক।

আওয়ামীলীগের সভাপতি মণ্ডলির সদস্য আবদুর রহমান সম্পর্কে অভিযোগ করে বলেছেন, আবদুর রহমান সাহেব স্পষ্ট বলেছেন ১ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে নৌকা মার্কার বিজয়ের ভোট এবং কেন্দ্র দখল ও নিয়ন্ত্রনে রাখার আহবান জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় তিনি আরো বলেছেন, বিভিন্ন সংস্থা জরিপ করেছেন। সেই সংস্থাগুলোর জরিপে দেখা গেছে দক্ষিণের আওয়ামীলীগের প্রার্থী ৫৭% ভোট পাবেন। আমার প্রশ্ন সংস্থালোর কাজ কি ভোটের আগে জরিপ করা আর আওয়ামীলীগ নেতাদের কাজ কি সেই জরিপের ফলাফল জনগনকে জানানো?

রুমিন ফারহানা বলেন, বিরোধী দলের প্রার্থীদের উপর হামলা হচ্ছে, সমর্থকদের উপর হামলা হচ্ছে, পোস্টার লাগাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো থেকেই বোঝা যায় নির্বাচন কোন দিকে যাচ্ছে। এতোকিছুর পরও আমাদের প্রার্থীরা মাঠে আছে এবং ভোটের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্পর্কে অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সরকারের সম্পূর্ণ হস্তক্ষেবিহীন নিরপেক্ষ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে। তার মানে তো সরকারের সমস্ত বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ করার সমস্ত দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কারো নির্দেশের অপেক্ষায় থাকার কথা নয়। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে বলেন, দলের নেতাকর্মীদের তো প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিতেই পারেন। রুমিন ফারহানা উল্টো অভিযোগ করে বলেন, না এটা প্রধানমন্ত্রী সরকারের সমস্ত এজেন্সি এবং আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের কাছে বলেন, কিছুদিন আগে দক্ষিণের বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী ইসরাকের মিছিলে হামলা নিয়ে পুলিশ অফিসার সম্পর্কে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন পুলিশের পার্টি কোনটা? প্রধান নির্বাচন কমিশনার উত্তর দেন পুলিশের পার্টি হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। তিনি বলেন, একটা দেশে যখন একটা সাধারণ পুলিশ কর্মকর্তার উত্তর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দিতে হয় তখন সেখানে কি ধরনের নির্বাচন আশা করা যায়।

সবমিলিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের বিভিন্ন বাহিনী সরকার নিয়ন্ত্রণ করে। নির্বাচনের পরিবেশ নেই তারপরও বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে আন্দোলনের অংশ হিসাবে। মাঠের অবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, মাঠে জনগন বিএনপি’র পক্ষে আছে। প্রচারনায় বিএনপি’র পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখায় বিষয় ভোটের দিন সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রশাসন দিয়ে কতোটুকু হস্তক্ষেপ করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত