শিরোনাম
◈ “সাপ ও ভারতীয় একসঙ্গে পেলে আগে ভারতীয়কে মারো”: এপস্টেইন নথিতে কূটনীতিকের মন্তব্য ফাঁস ◈ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শীর্ষে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট ◈ ভোটার তালিকায় আজব কাণ্ড: এক বাবার ‘৩৮৯ সন্তান’ ◈ ভারতে বসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ছক কষছেন নির্বাসিত আওয়ামী লীগ সদস্যরা: দ্য গার্ডিয়ান ◈ জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক ◈ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যে কারণে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী (ভিডিও) ◈ সম্পদের হিসাবে শীর্ষে যে ১০ প্রার্থী: হলফনামার তথ্য ◈ নতুন আইসিসি গঠনের দাবি পা‌কিস্তা‌নের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের ◈ ভোটের পর নতুন সরকারের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ আসলে কোনগুলো ◈ পে স্কেল বাস্তবায়নে সময় লাগবে, তবে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয়: সালেহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৩ দুপুর
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বয়স্ক নারীদের শিক্ষা দানের মাধ্যমে আলোকিত করে তুলছে যশোর ইনফো ফাউন্ডেশন

মাজহারুল ইসলাম : এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে ২ হাজারেরও বেশি বয়স্ক নারী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছেন। বর্তমানে এই কেন্দ্রের শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২৯। রাইজিংবিডি

এখানে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। শংকরপুর গোলাম প্যাটেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩টি কক্ষে সপ্তাহে ৬দিন চলছে শিক্ষার এই কার্যক্রম। এখানকার শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগ অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। আবার অনেকে ব্যবসাও করেন। সারাদিনের কাজ শেষ করে বিকেলে তারা এ শিক্ষা কেন্দ্রে আসেন। তাদের শেখানো হচ্ছে বাংলা, অংক, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, ধর্ম, স্বাস্থ্য এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। শেখানো হচ্ছে মোবাইলের ব্যবহারও। বোঝানো হচ্ছে ৯৯৯, ৩০৩ ও ১০৯ এর মতো হটলাইনগুলো ব্যবহারের সুযোগ এবং সুবিধার দিক গুলো।

এখানকার শিক্ষার্থী হামিদা খাতুন জানান, ছোট বেলায় লেখাপড়া করেছি সেটা এখন আর মনে নেই। এখন আমি থ্রিপিচ ও কাপড়ের ব্যবসা করি। কিন্তু হিসাব করতে পারতাম না। গত ৩ বছর আমি শিক্ষা গ্রহণ করে এখন ভালোভাবে সবকিছু লিখে রাখতে পারি। প্রতিদিন বিকেলে আমরা সবাই স্কুলে আসি। শিক্ষা গ্রহণের ফলে এখন কেউ আমাদের ফাঁকি দিতে পারবে না।
যশোর শহরের শংকরপুর গোলাম প্যাটেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত ক্লাস শেষ হলে শুরু হয় পঞ্চাশার্দ্ধো হাসিনা বেগমের ক্লাস। শুধু তিনিই নন, এখানে পড়েন ৪৮ বছরের হামিদা খাতুন ও ৪৫ বছরের ছকিনা বেগমসহ আরও অনেকেই। হাসিনা বেগম জানান, ৪ বছর ধরে এখানে বাংলা, ইংরেজি, অংক ও ধর্ম শিক্ষা গ্রহণ করেছি। আমি যার কাছে যা পাবো তা হিসাব করে এখন নিতে পারি। আগে মোবাইল চালাতে পারতাম না, কিন্তু এখন পারি। সেই সঙ্গে অনেক কিছু শিখতে পারছি।

জানা যায়, ওইসব বয়স্ক শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য আছেন ৩জন শিক্ষক। যারা এখনও নিজের শিক্ষাজীবন শেষ করেননি। কোনও প্রকার বেতন ভাতা ছাড়াই কেবল মনের প্রশান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এখানকার শিক্ষক সোনিয়া খাতুন যশোর সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি বলেন, ৪ বছর ধরে আমি, মা ও নানী বয়সের নারীদের শিক্ষা দিচ্ছি। এখানের শিক্ষার্থীরা খুবই আন্তরিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

এ প্রসঙ্গে যশোর ইনফো ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন সিদ্দিকী মিশু জানান, ১১ বছর ধরে এ কেন্দ্রটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে স্থায়ী অবকাঠামোর প্রয়োজন। কোনও সরকারি জায়গা যদি আমাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়, তাহলে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে ছোটখাটো স্থাপনা গড়ে তুলতে পারি। যার মাধ্যমে দীর্ঘদিন আমরা এ কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারবো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়