প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনের টুকিটাকি এবং ‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’!

রবিউল আলম : দলের একনিষ্ঠ কর্মী ছাড়া যারা দলীয় সমর্থন পেয়েছেন, সেই কাউন্সিলররা সুধীজন। মেয়র হিসেবে কে নির্বাচিত হবেন, তার খবর কে রাখেন? নৌকা আর ধানের শীষের চুক্তি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিথ্যা আশ্বাস নিয়ে। আমাকে একটা ভোট দিন, আমি সমাজ পরিবর্তন করে দেবো, আমি কিন্তু রাজনীতি করি না। আমাকে কখনো গাড়ি ভাঙতে দেখেন নাই, আমি ক্যাসিনো খেলি না। দলের বাইরে কাউন্সিলররা একের পর এক মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চলেছেন। যারা দলের কর্মী, তারা নিজের চাইতে দলের প্রার্থী জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন। তারা জানেন, দল ক্ষমতায় থাকলে আর দল ক্ষমতায় আসলে জনগণের সেবা করতে পারবো, নিজের ক্ষমতা চকিদারের মতো। নির্বাচনের পরে তাকে তার নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে হবে, দলীয় সহায়তা ছাড়া সম্ভব নয়,এ কথা যারা বুঝেন তারা দলের। যারা বুঝেননি তারা ‘ইয়া নাফসি, ‘ইয়া নাফসি’ করছেন। নৌকা ধান তাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। রাজনৈতিক সহায়তার জন্য সমর্থন আদায় করতে লাইনে দাঁড়ান, স্বার্থ হাসিল হলে সব ভুলে যান। রাজনীতিকে ঘৃণা করেন বলে সুধীজন সাজেন। মুখোশধারী এই সুধীজনদের আমরা বাছাই করি জনসেবার জন্য সমাজ, রাজনীতি পরিবর্তনের আমরাও মিথ্যে আশ্বাস দিচ্ছি। ভুলে যাই মতের পরিবর্তন হয় না।

নির্বাচনে শিশুরা স্লোগান দেয় জিতবে এবার নৌকা। এই স্লোগানের পরিবর্তন হয় না। ভাড়াটিয়া নেতা দিয়ে আদর্শ বাস্তবায়ন হয় না। নির্বাচনে টুকিটাকি ‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’। নেতার বউ, বড় লোকের বউকে সালাম করার নাটক করে, বস্তিবাসীর খবর কে রাখেন? শহর সুন্দর করার আশ্বাস দিয়ে চলছেন, আবার বস্তি উচ্ছেদ না করার অঙ্গিকারও দিচ্ছেন। নিজে দায়ীত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত, তার পরেও মিথ্যে আশ্বাসের ফুলঝুরি ফুটাচ্ছেন। লেখক : মহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত