প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ইসমাঈল ইমু: আর দুদিন পর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। নির্বাচনি প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রাজনেতিক দলগুলোর মধ্যে তেমন বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটলেও নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। সেই আশঙ্কা থেকে তারা অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকাতে মাঠে নেমেছে।পুলিশ বলছে, ভোটের আগে, ভোট গ্রহণের দিন ও পরের কয়েকদিন অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকানোটাই এখন তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারলেই সুস্থ ও সুন্দর ভোটের পরিবেশ বজায় থাকবে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর টিকাটুলী এলাকায় বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায়।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র বলছে, সংঘর্ষের সময় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ভাবিয়ে তুলেছে পুলিশকে। কারা কী কারণে গুলি চালিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে এরই মধ্যে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলামও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা করেছেন। ইশরাকের মিছিলে অংশ নেয়া এক হেলমেট পরিহিত যুবককে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ জানায়, নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোটগ্রহণে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে যেন কেউ বাধা তৈরি করতে না পারে, সেজন্য মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সারাদেশে ৮০ জন বৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী ছাড়াও কারা অবৈধ অস্ত্রের কেনাবেচা করে, তাদের তালিকা করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এমনকি দেশের কোন কোন পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অস্ত্রের চালান আসে, সেগুলোও শনাক্ত করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশ জানায়, নির্বাচনকে ঘিরে দেশে অস্ত্র প্রবেশ করতে পারে এমন ৩০টি পয়েন্ট শনাক্ত করেছে ডিবি পুলিশ। এসব পয়েন্টের মধ্যে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বেনাপোল ও সিলেট সীমান্ত দিয়ে বেশি অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসব পয়েন্টগুলো নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত