প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে চাবকানি স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন এক নারী, প্রকাশ্যে কার্যকর করেন শাস্তি

সিরাজুল ইসলাম : মুখোশ ও হাত-পায়ে মোজা পরে শাস্তি কার্যকর করেন তিনি। অপরাধী মেয়েটিকে আটক করা হয়েছিলো একটি হোটেল রুম থেকে। তিনি এক পুরষের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন। ইয়ন

ওই ধরনের ঘটনা সংবিধানে নৈতিক অপরাধ। বিশে^র সব চেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় কঠোরভাবে ধর্মীয় আইন অনুসরণ করা হয়। এটাকে বলা হয় শরীয়াহ আইন।

বান্দাহ আচেহ শরীয়াহ পুলিশের প্রধান তদন্তকারী জাকওয়ান বলেন, মেয়েটি তার কাজ ভালভাবেই করেছে। তার কৌশল ছিলো সুন্দর।

বেত্রাঘাতের বিতর্কিত শাস্তি মানবাধিকার কর্মী, গণমাধ্যম ও রাজনীতিকদের মধ্যে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে এ ধরণের শাস্তি কার্যকর না করার আদেশ দিয়েছেন।

সুমাত্রা দ্বীপের আচেহ প্রদেশ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ২০০৫ সালে চুক্তি করেছিলো। কিন্তু এক দশক আগেই তারা সেই চুক্তি থেকে বের হয়ে আসে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের চাপে। এখানে জুয়া, ব্যভিচার, মদ্যপান ও সমকামীতার মতো অনেক অপরাধের শাস্তি বেত্রাঘাত। মেয়েটি যোগ দেওয়ার আগে এ শাস্তি পুরুষরা কার্যকর করতো।

যৌন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারনেট দুনিয়া সেখানকার কৃষ্টি ও ধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করেছে। এ কারণে নারী-পুরুষ অনেকেই এ ধরণের অপরাধে জড়াচ্ছে। অপরাধীদের ক্ষমা করা হয় না। কারণ শাস্তির ভয়ে যেন অন্যরা অপরাধে না জড়ায়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত