প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে কাল মধ্যরাতে

বাংলাদেশ জার্নাল : ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রচারণার বাকি আর একদিন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হবে প্রচারণা। ১ ফেব্রুয়ারি হবে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটের ৩২ ঘণ্টা আগে প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্বাচনের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে সব কেন্দ্রে ভোট হবে ইভিএমে।

শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ, বিএনপির মেয়রপ্রার্থীরা। আধুনিক নগরী গড়তে নানা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। মেয়রের পাশাপাশি নিজ এলাকার উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজ নিজ প্রতীকে ভোট চাইছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

এদিকে আওয়ামী লীগ, বিএনপি দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে নির্বাচন কমিশনে। আর জাতীয় প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণের বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন।

অন্যদিকে বুধবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন শেখ ফজলে নূর তাপস। জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন উল্লেখ করে তাপস বলেন, জয়ী হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চাই। এদিকে নির্বাচনী প্রচারের তোড়জোড়ে আর সবই ঢাকা পড়ে গেছে; রাজধানী ঢাকা এখন প্রকৃত অর্থেই নির্বাচনের নগরী। দুয়ারে এসে গেছে নির্বাচন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ।

দলমত-নির্বিশেষে সব প্রার্থী চষে বেড়াচ্ছেন মহানগরীর অলিগলি, রাজপথ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র; সঙ্গে প্রতিশ্রুতির ডালি। দেশে কোনো নির্বাচন নিয়ে সব দলের সামগ্রিক অংশগ্রহণে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ অনেক দিন দেখেনি ঢাকাবাসী, দেশবাসীও। হ্যাঁ, দেশের সব প্রান্তে গণমাধ্যমের ছড়িয়ে পড়েছে বদৌলতে রাজধানীর নির্বাচনী জ্বর। সবাই এখন তাকিয়ে এ নির্বাচনের দিকে। এবারের নির্বাচনেও রয়েছে পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের অভিযোগ, রয়েছে আপত্তি। শঙ্কাও রয়েছে। তবে এ সবই নির্বাচনের অংশ, ক্ষেত্রবিশেষে প্রার্থীদের জয়ের কৌশলও। স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে দেশের রাজনীতিতে প্রধান দুই দল হিসেবে বিবেচিত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যেও চলছে লড়াই, ছুটছে বাক্যবাণ। এ সব কিছু মিলিয়ে জ্বরে কাঁপছে ঢাকা, নির্বাচনী জ্বর। বিভিন্ন দলের মেয়রপ্রার্থী ও দল-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রচারের শেষ দিকে এসে নগরীর পাড়া-মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও পিছিয়ে নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, অনেক দিন পর রাজনৈতিক মাঠে দলগুলো প্রায় সমানতালে প্রচার করতে পারছেন। বিরোধীপক্ষ কয়েকটি হামলার শিকার হলেও এখন পর্যন্ত নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রয়েছে। ভোটানুষ্ঠান মোটামুটি সুষ্ঠু হলেও তাদের বিজয় সুনিশ্চিত বলে ধারণা বিএনপির। অন্যদিকে আওয়ামী লীগও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত