প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নাটোরে পানিতে ভাসমান কচুরীপানার বেড বানিয়ে রকমারী সবজি চাষ

তাপস কুমার, নাটোর : বৈচিত্রময় নাটোরের কৃষিতে সংযোজন ঘটেছে ভাসমান সবজি চাষের। জেলায় বড়াইগ্রাম উপজেলার কৃষকরা নদী আর বিলের পানিতে কচুরীপানার বেড বানিয়ে রকমারী সবজি চাষ করছেন। কীটনাশকের ব্যবহার নেই বলে উৎপাদিত সবজি নিরাপদ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প’র আওতায় উপজেলার বাটরা, বাঘাইট, মেরিগাছা, ধানাইদহ, তারানগর গ্রামে বয়ে যাওয়া নারদ ও খলিসাডাঙ্গা নদী এবং চিনিডাঙ্গার বিলে কচুরিপানা ব্যবহার করে তৈরী হয়েছে ভাসমান বেড।

এসব গ্রামের ৩১জন কৃষক শতাধিক বেডে উৎপাদন করছেন লালশাক, কলমীশাক, পালংশাক, করলা, শসা আর লাউ। কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা প্রদান করছে কৃষি দপ্তর। পাশাপাশি প্রদর্শনী বেড স্থাপন এবং মাঠ দিবসের মাধ্যমেও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষকদের।

আবাদ শেষ হয়ে গেলে কচুরীপনার বেড উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে আমরা বোরো ধান আবাদে ব্যবহার করবো বলে জানিয়েছেন কৃষক রাশেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নতুন এই চাষাবাদ পদ্ধতি দেখতে ও চাষাবাদের খোঁজখবর নিতে প্রায় দিন আশেপাশের কৃষকরা ভাসমান বেড এলাকায় ভিড় করছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা মনোনীত দেশের কৃষিতে একমাত্র ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’- এই চাষাবাদ পদ্ধতি একসময় জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী এই কৃষিবিদ।

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ পরিচালক ড. রবিআহ নূর আহমেদ বলেন, বড়াইগ্রামে ভাসমান বেডে সবজি চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অন্যান্য উপজেলায় বিশেষ করে চলনবিল ও হালতিবিল এলাকায় এই চাষাবাদ ছড়িয়ে দিতে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কাজ করবে। সম্পাদনা: রাকিবুল

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত