প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শাস্তির বিধান রেখে ‘পোষা পাখি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা- ২০২০’ চূড়ান্ত

মাজহারুল ইসলাম : ওই বিধিমালায় বলা হয়েছে পাখি লালন-পালন, খামার স্থাপন, কেনাবেচা ও আমদানি-রপ্তানির জন্যে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কোনও খামারি পোষা পাখির উৎপাদন, লালন-পালন, খামার স্থাপন, কেনাবেচা বা আমদানি-রপ্তানি করতে পারবেন না এবং কোনও পেটসপ (পোষাপাখি বিক্রির দোকান) পোষা পাখি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে না। এই বিধি অমান্যকারী সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদন্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবেন। সূত্র : যায়যায়দিন

তবে পাখির সংখ্যা ১০টির বেশি নয়, এমন যারা শখের বসে বাড়িতে বা প্রতিষ্ঠানে পাখি লালন-পালন করেন, তাদের শৌখিন পোষা পাখি পালনকারী বলা হয়েছে নীতিমালায়। খসড়ায় শৌখিন পোষা পাখি লালন-পালনের জন্য লাইসেন্স নেয়ার নিয়ম রাখা হলেও চূড়ান্ত বিধিমালায় তা বাদ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ শৌখিন পোষা পাখি লালন-পালনকারীদের লাইসেন্স নিতে হবে না।

বিধি অনুযায়ী, পোষা পাখি খামারির জন্য ১০ হাজার টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স নবায়ন ফি লাইসেন্স ফি’র ২৫ শতাংশ। প্রসেস ফি ২ হাজার টাকা। বছরে পজেশন ফিও ২ হাজার টাকা। পজেশন সনদ নবায়ন ফি পজেশন ফি’র ২৫ শতাংশ। পেটশপের জন্যে লাইসেন্স ও প্রসেস ফি ৫’শ টাকা। আর পজেশন ফি বছরে ২ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. বিলস্নাল হোসেন বলেন, বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে কোনও ব্যক্তি পোষা পাখি লালন-পালন, খামার স্থাপন বা আমদানি-রপ্তানি বা পেট শপ পরিচালনা করে থাকলে তাকে এ বিধিমালা কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নিতে হবে। প্রতিটি লাইসেন্সের মেয়াদ হবে এক বছর। এরপর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। লাইসেন্স দেবে প্রধান ওয়ার্ডেন (প্রধান বন সংরক্ষক) বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনও কর্মকর্তা। নবায়নের জন্য কর্তৃপক্ষ আবেদনে উল্লিখিত তথ্যের সঠিকতা যাচাই এবং পাখির সংখ্যা অনুযায়ী স্থান, খাঁচার আকৃতি ও লালন-পালনের উপযুক্ত পরিবেশে আছে কি না, তা সরেজমিন তদন্ত করে লাইসেন্স নবায়ন করবে।
লাইসেন্স পাওয়ার পর ওই খামারি পজেশন সার্টিফিকেট (পোষা পাখির মালিকানা সংক্রান্ত সনদ) ছাড়া কোনও পাখি নিজ মালিকানা বা দখলে রাখতে পারবে না। পজেশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রতিটি পাখির জন্য নির্ধারিত বার্ষিক ফি দিতে হবে। এক বছরের জন্য পজেশন সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে। খামারির বিক্রয় রশিদে হালনাগাদ পজেশন সার্টিফিকেটের নম্বর থাকতে হবে। পজেশন সার্টিফিকেটও প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে। তবে সরকার যে কোনও সময় লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে। কোনও খামারের লাইসেন্স বাতিল হলে তার পজেশন সার্টিফিকেটও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত