শিরোনাম
◈ ইসিতে বৈঠক শেষে ডা: তাহের: আগামীর নির্বাচন যদি ‘সাজানো’ হয়, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ◈ ইসি’তে আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে: তৃতীয়দিন ১৩১টি জমা ◈ উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ, প্রধান উপদেষ্টাকে পাওলা পাম্পালোনি ◈ জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি পদে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে শিবিরের রিয়াজুল ◈ ইসিতে যেসব অভিযোগ জানাল জামায়াত ◈ সংগীত বিভাগে শিবির সমর্থিত জিএস-এজিএস প্রার্থীর ঝুলিতে শূন্য ভোট ◈ নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ কেন? দ্বীপটি কতটা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ◈ ব্যাংক ঋণে বাড়ি কেনা সহজ হলো, নতুন সার্কুলার জারি ◈ তারেক রহমান নয়াদিল্লির জন্য “সবচেয়ে নিরাপদ বাজি”

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৫৮ রাত
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘ভারতে থাকলে নোবেল পেতাম না’, বিস্ফোরক বক্তব্য দিলেন অভিজিৎ

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের নোবেল জয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় দেশটির ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবসে এমন মন্তব্য করে ফের বিতর্কে জড়ালেন। বললেন,  “ভারতে যোগ্যতার অভাব নেই। কিন্তু সঠিক কার্য প্রক্রিয়া দরকার।” চলতি বছরে অর্থনীতি নিয়ে স্ত্রী এসথার ডাফলো ও মাইকেল ক্রেমার সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করে নোবেল পেয়েছেন অভিজিৎবাবু। মন্তব্যের ব্যাখা দিতে গিয়ে নোবেলজয়ীর দাবি, “সবসময় একার পক্ষে সমস্ত কাজ করা সম্ভব হয় না। সকলের সঙ্গে কাজ করলে অনেক সুবিধা হয়।” এরপরই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সমালোচকদের কটাক্ষ, “নোবেলজয়ী কি তাহলে মেনেই নিলেন, তিনি ভারতীয় নন!”  রোববার মুম্বাইয়ের এক সাহিত্যসভায় তিনি এধরনের বক্তব্য করেন।

তার নোবেল পাওয়ার পর অনেকেই সেসময়  অভিজিৎকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “ভারতে থাকেন না, তাই নোবেলের শিঁকে ছিড়ল।” সমালোচকদের কটাক্ষ, স্রেফ শেতাঙ্গ না হওয়ায় একাধিকবার মনোনীত হয়েও নোবেল পাননি মহাত্মা গান্ধী। এমনকী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেও নোবেল জয়ীদের তালিকায় নাম তুলতে পারেননি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। বিজ্ঞানের দুনিয়ায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন সত্যেন বসু, মেঘনাদ সাহা-সহ একাধিক বিজ্ঞানী। তারপরও নোবেল থেকে ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছেন তাঁরা। সেসব কথায় অবশ্য আমল দেননি নোবেলজয়ী।

অর্মত্য সেনের পর ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান ফের এক বাঙালি। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র দূরীকরণের জন্য বিরল গবেষণা করে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী এসথার ডাফলো ও মাইকেল ক্রেমার। গত দু’দশক ধরে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য নিরলস গবেষণা করছেন তাঁরা তিনজন। তাঁদের নতুন পরীক্ষা-ভিত্তিক পদ্ধতির জন্য অনেক পরিবর্তন এসেছে উন্নয়নের অর্থনীতিতে। এর মাধ্যমে গবেষণার নতুন-নতুন দিক খুলে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পড়শোনাও কলকাতায়। সাউথ পয়েন্ট স্কুলের পালা সাঙ্গ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে অর্থনীতি নিয়ে ভরতি হন। সেখান থেকে ১৯৮১ সালে অর্থনীতিতে বি.এস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৮৩ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ পাশ করেন। ১৯৮৮ সালে পিইচডি করার জন্য ভরতি হন ইংল্যান্ডের হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে তিনি আমেরিকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান এমআইটির ফুড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়