শিরোনাম
◈ নিরাপত্তার স্বার্থে জবি ক্যাম্পাসে সব ধরনের কর্মসূচি নিষিদ্ধ ◈ গ্যাস সংকট নিরসনে বড় পদক্ষেপ, আজ চালু হচ্ছে মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল ◈ যে কারণে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ফারুকী ◈ ১০ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁতে পারে কয়েকটি নদী ◈ গুলশান থেকে গাজীপুরের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ◈ ভারতে হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ, ঢাকার তীব্র ক্ষোভ ◈ বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ছড়িয়ে অভিযুক্তদের নৃশংসতা ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নয়: মালয়েশিয়া ◈ মাগুরায় সাকিবের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ, বিস্ফোরিত দুটি পেট্রলবোমা (ভিডিও) ◈ তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো, ফিফার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ এশিয়ার দেশের

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৫৮ রাত
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘ভারতে থাকলে নোবেল পেতাম না’, বিস্ফোরক বক্তব্য দিলেন অভিজিৎ

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের নোবেল জয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় দেশটির ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবসে এমন মন্তব্য করে ফের বিতর্কে জড়ালেন। বললেন,  “ভারতে যোগ্যতার অভাব নেই। কিন্তু সঠিক কার্য প্রক্রিয়া দরকার।” চলতি বছরে অর্থনীতি নিয়ে স্ত্রী এসথার ডাফলো ও মাইকেল ক্রেমার সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করে নোবেল পেয়েছেন অভিজিৎবাবু। মন্তব্যের ব্যাখা দিতে গিয়ে নোবেলজয়ীর দাবি, “সবসময় একার পক্ষে সমস্ত কাজ করা সম্ভব হয় না। সকলের সঙ্গে কাজ করলে অনেক সুবিধা হয়।” এরপরই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সমালোচকদের কটাক্ষ, “নোবেলজয়ী কি তাহলে মেনেই নিলেন, তিনি ভারতীয় নন!”  রোববার মুম্বাইয়ের এক সাহিত্যসভায় তিনি এধরনের বক্তব্য করেন।

তার নোবেল পাওয়ার পর অনেকেই সেসময়  অভিজিৎকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “ভারতে থাকেন না, তাই নোবেলের শিঁকে ছিড়ল।” সমালোচকদের কটাক্ষ, স্রেফ শেতাঙ্গ না হওয়ায় একাধিকবার মনোনীত হয়েও নোবেল পাননি মহাত্মা গান্ধী। এমনকী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেও নোবেল জয়ীদের তালিকায় নাম তুলতে পারেননি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। বিজ্ঞানের দুনিয়ায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন সত্যেন বসু, মেঘনাদ সাহা-সহ একাধিক বিজ্ঞানী। তারপরও নোবেল থেকে ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছেন তাঁরা। সেসব কথায় অবশ্য আমল দেননি নোবেলজয়ী।

অর্মত্য সেনের পর ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান ফের এক বাঙালি। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র দূরীকরণের জন্য বিরল গবেষণা করে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী এসথার ডাফলো ও মাইকেল ক্রেমার। গত দু’দশক ধরে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য নিরলস গবেষণা করছেন তাঁরা তিনজন। তাঁদের নতুন পরীক্ষা-ভিত্তিক পদ্ধতির জন্য অনেক পরিবর্তন এসেছে উন্নয়নের অর্থনীতিতে। এর মাধ্যমে গবেষণার নতুন-নতুন দিক খুলে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পড়শোনাও কলকাতায়। সাউথ পয়েন্ট স্কুলের পালা সাঙ্গ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে অর্থনীতি নিয়ে ভরতি হন। সেখান থেকে ১৯৮১ সালে অর্থনীতিতে বি.এস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৮৩ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ পাশ করেন। ১৯৮৮ সালে পিইচডি করার জন্য ভরতি হন ইংল্যান্ডের হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে তিনি আমেরিকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান এমআইটির ফুড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়