প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনা ভাইরাস ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ

শাহীন খন্দকার : কারণ চীনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। প্রতিদিন অনেক মানুষ বাংলাদেশ থেকে চীনে যাওয়া-আসা করছে। এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে রোগটি সংক্রমিত হয়েছে, সে দেশগুলোর সঙ্গেও বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাই এখন পর্যন্ত কোনো রোগী পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশকে ঝুঁকিমুক্ত বলা যাচ্ছে না।

গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, চীন থেকে আগত ফ্লাইটগুলোকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সেসব ফ্লাইটের যাত্রীদের বায়োডাটা নেয়া হচ্ছে। আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

২৫ জানুয়ারি চীন থেকে ১৮৩ যাত্রী দেশে এসেছে। তাদের স্ক্যান করা হয়েছে। এছাড়া, বন্দরে অতিরিক্ত মেশিন যাচ্ছে। অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই। এ ভাইরাস মোকাবেলা করতে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের সাতটি প্রবেশ পথে ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে আক্রান্ত দেশ থেকে আগত রোগীদের স্পর্শ না করে জ্বর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা.সানিয়া তহমিনা বলেন, এ মুহুর্তে আমরা স্থলবন্দরকে সতর্ক রেখেছি। বিশেষ করে চীন থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্যান করা হচ্ছে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত