শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার ◈ শিক্ষার্থী আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ ৪ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ময়মনসিংহে নিহত ৭ ◈ বিমানবন্দরে তর্ক-বিতর্ক : মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা ◈ গয়না থেকে স্মার্টফোন-মহাকাশযান, খাবারেও ব্যবহার হয় সোনা—জেনে নিন স্বর্ণের যত ব্যবহার ◈ সরকারের অজানা শত্রু কারা: ক্ষমতা বদলের পর আমলাতান্ত্রিক অন্তর্ঘাতের ঝুঁকি, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ◈ ভিসা সহায়তা দিতে ঢাকায় আসছে রোমানিয়ার টিম  ◈ মক্কার পর এবার মদিনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি, দাবি সৌদির ◈ বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তিন তরুণীর নেপালযাত্রায় বাধা, নেপথ্যে কী? যা জানাগেল ◈ শিল্পের আকার ও রফতানি সক্ষমতা বাড়লেও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:২৭ রাত
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাবমেরিন থেকেই ছোড়া যাবে ৫০০০ কিমি পাল্লার ব্যালেস্টিক মিসাইল, আরও শক্তিশালী ভারত

রাশিদ রিয়াজ : ডুবোজাহাজ বা সাবমেরিন থেকে ছোড়া যায় এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা ভারত এক দশকেরও বেশি আগে শুরু করে দিয়েছিল। ৩৫০০ কিলোমিটার পাল্লার এই কে-৪ মিসাইল তৈরির কথা দীর্ঘদিন পর্যন্ত গোপনই রেখেছিল দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০১৪ সালে প্রথম বার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পরেও ভারত সরকার তা স্বীকার করেনি।

এ বার আরও শক্তিশালী এসএলবিএম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা শুরু করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, ডিআরডিএ। যার পাল্লা হবে ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর সমান। অর্থাৎ ৫০০০ কিলোমিটার। ডিআরডিএ-র এক কর্মকর্তা জানান, সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে কে-সিরিজের লেবেলই থাকবে। গোটা এশিয়া ছাড়াও আফ্রিকার একাংশ, ইউরোপ ও দক্ষিণ চীন সমুদ্র সহ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর এর আওতায় চলে আসবে।

একসপ্তাহের মধ্যে দু-বার ৩৫০০ কিমি পাল্লার কে-৪ মিসাইলের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে, ডিআরডিএ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর অঙ্ক কষতে শুরু করে দিয়েছে। তিনি জানান, পরমাণু সাবমেরিন আইএনএস আরিহন্ত থেকে ব্যবহারের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

২০১৪ সালে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হলেও, সে বার কিন্তু এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তার পাল্লার সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য অতিক্রম করেনি। ৩০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করেছিল কে-৪। দ্বিতীয়বার পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ কিন্তু পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছিল। অর্থাৎ সমুদ্রের তলা থেকে উঠে ৩৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে কে-৪।

শব্দের চেয়ে বেশ কয়েক গুণ বেশি বেগে ছুটতে সক্ষম পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী এসএলবিএম। ডুবোজাহাজ থেকে পরমাণু হামলা চালানোর জন্য বিভিন্ন দেশের হাতে যে সব ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী এবং শক্তিশালী ভারতের এই কে-৪। নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে ব্যবহার করা হবে।

এই মিসাইলটি ৩ মিটার লম্বা। বর্তমানে অরিহন্তে ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার বি-০৫ নিউক্লিয়ার মিসাইল রয়েছে।

  • সর্বশেষ