প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বঙ্গবন্ধুর খুনি, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও আমানত লুট করে লাটসাহেব বনে যাওয়া ব্যক্তিদের জাস্টিন ট্রুডো আশ্রয় দেবেন কেন?

 

চারু হক : পুঁজিবাদী আদর্শ অটুট রেখে যতোখানি আদর্শ শাসক হওয়া সম্ভব, সম্ভবত কানাডার জাস্টিন ট্রুডো তাদের অন্যতম। তিনি শরণার্থীদের স্বাগত জানান, স্বাধীনতাকামীদের আন্দোলনে অনুপ্রেরণা যোগান, রোহিঙ্গাদের পক্ষে দাঁড়ান, ফিলিস্তিনিদের দান খয়রাত দেন, আদিবাসীদের অধিকারে সোচ্চার হন। একইসঙ্গে তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শেল্টার, এমনকি বঙ্গবন্ধুর নাম বেচে খাওয়া ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, চাকরিজীবী, পেশাজীবী পাপীদেরও প্রধানতম আশ্রয়স্থল। অনেকদিন হয় বাংলাদেশের অভাগা মানুষের অধিকার ও আমানত লুট করে লাটসাহেব বনে যাওয়া ব্যক্তিরা ট্রুডোর দেশে বেগমপাড়ার মতো বিলাসবহুল আবাস বানিয়েছে। সম্প্রতি কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের সরকারও জনগণকে প্রবোধ দিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে।

নিশ্চয় ট্রুডো জানেন এটা ঘোরতর অপরাধ। এমনকি এ সব দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দেওয়া এসডিজি (লক্ষ্যমাত্রা ১৬) নামক বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতিরও স্পষ্ট বরখেলাপ। তবুও তিনি এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। কেননা সেটা করলে তাদের মুফতে পাওয়া বেহিসেবি ব্যবসা বহাল থাকে না।

দুর্নীতি ও অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় টিআই, এসিসি, ইসিআরসি, ইউএনডিপি, এমনকি সিপিডির মতো সংস্থাদি যারা সবচেয়ে বেশি সক্রিয়তা দেখায়, তাদেরও দেখা যায় দুর্নীতি পরিসংখ্যান আর দুর্নীতি দূর করার পরামর্শ দিয়েই ক্ষান্তি দেয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থায় ১৫ হাজার কোটি টাকার আবজাল কিংবা সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার পিকে হালদার তৈরি হয়, কাদের প্রশ্রয়ে তারা তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে কারা তাদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয় তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না। কারণ নৈবৃত্তিক অবস্থানে গেলে আবিষ্কৃত হয় তারা নিজেরাও সেই ব্যবস্থার পুরোপুরি বাইরে নয়। তাদের বাইরে আরও কিছু দল আছে যারা দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় সেমিনার, সিম্পোজিয়াম করে, গবেষণা করে। উন্নয়নের এনজিও করে, বিশ্ববিদ্যায়তনিক অনুশীলন করে। প্রতিনিয়ত ভারি ভারি পাদটীকা আর সংশোধনের সুপারিশমালায় অজস্র প্রতিবেদন ও পুস্তক প্রণীত হচ্ছে তাদের হাতে। ঈষৎ সংক্ষেপিত। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত