প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঢাবিসহ ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ হবে কবে?

 

ফারুক আস্তানা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখানে আধুনিক উপায়ে কীভাবে একজন সাধারণ মানুষকে আটকের পর নির্যাতন করে মনোবল ভেঙে দিয়ে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চোর বা মাদকাসক্ত সাজিয়ে টাকা আদায় করে যায় তা উত্তম উদাহরণ এই ঢাবির ছাত্র রাজনীতি ও ক্যাম্পাস হলগুলো আর ভিসি, শিক্ষক ও পুলিশের যৌথ টেলিফোন নাটক। ঢাবির হলগুলোতেই সবচেয়ে বেশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বা হচ্ছে। পাক বাহিনীর নির্যাতনের মতো এখনো মুক্ত বাংলাদেশিদের আটক করে টর্চার করা হয় বা হচ্ছে। সাধারণ নিরীহ মানুষদের অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। এতে জড়িত ক্ষমতাসীন ও ছাত্র রাজনীতি আর একশ্রেণির শিক্ষক এতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে অনৈতিক লাভবান হচ্ছেন। বাংলাদেশের মানুষ গুয়েতেমালা কারাগারের টর্চার দেখেনি খরবে পড়েছে শুনেছে। কিন্তু যারা যে পরিবার বিষয়গুলো জানে তাদের কাছে ঢাবি ক্যাম্পাস পুরো হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। একটা নির্যাতন কেন্দ্র। ঢাকাসহ দেশের অনেক ছাত্র সাধারণ জনতা আছে যাদের ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসছে বা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক থেকে কৌশলে হলে নিয়ে আটক করে।

অথবা পূর্ব পরিচয়ের জের ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে কৌশলে ক্যাম্পাসে আড্ডা অথবা বেড়ানোর কথা হলের বিশেষ কিছু রুমে নিয়ে বহির্গত মাদকাসক্ত দিয়ে যুবকদের রাতভর পিটিয়ে শিকার আদায় করে নেওয়া হয় বা হচ্ছে। যে ল্যাপটপ, মোবাইল চুরি বা ইয়াবা, গাঁজা, মাদক বা মেয়েলি বিষয় এসব অপবাদ দিয়ে ভিকটিমের পরিবার খেকে লাখ থেকে পঞ্চাশ হাজার, ত্রিশ হাজার টাকা যার যেমন আদায় করে নিতে পারে তা নেয়। ছাত্রনেতাদের এই সিন্ডিকেটের মধ্যে শিক্ষকরাও আছেন। বছরের পর বছর এ সব চলে আসছে। নতুন নতুন ছাত্র, যুবক, সাধারণ মানুষরা ভিকটিম হচ্ছে। সম্প্রতি খবর বেরিয়েছে ‘ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮ শতাংশ নকল’ অনিয়ম নিয়ে। সত্যটা হলো ঢাবির শিক্ষক গোষ্ঠীটা ছাত্র নেতাদের চেয়েও বেশিগুণে পচে আছে। রাজনীতি করাই তাদের প্রধান ও প্রথম কাজ।

এই শ্রেণির সঙ্গে বুড়িগঙ্গার জলের তুলনা করলেও নোংরা জলের অপমান হবে। যার প্রভাব পুরো দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়। বাস্তবিক কোনো শিক্ষা গবেষণার কোনো উন্নতি নেই। আছে শুধু সনদ বিক্রি। তাদের চুরি করা ছাড়া চুরিবিদ্যা ছাড়া সামনে আর কোনো পথ নেই। তাই ঢাবির ছাত্র ও শিক্ষক সমাজ এতোটাই রাজনৈতিক দল কানা হয়েছে যে দেশের সচেতন মানুষ তাদের থেকে ভালো কিছু আশা করাও ভুলে গেছে। এমতাবস্থায় যতোটা সম্ভব ঢাবিসহ ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষক ও ছাত্ররাজনীতি কমিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরাসরি ক্ষমতাসীন আ’লীগ সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত