প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মনগড়া কথা না বলে তথ্য-প্রমাণ জাতির সামনে তুলে ধরতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানালেন ওবায়দুল কাদের

আবুল বাশার নূরু: শনিবার দুপুরে মহাখালি ব্র্যাক ইন সেন্টারে নারী গাড়ি চালকদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একথা বলেন। নির্বাচনে জিততে সরকার তার সকল অর্গান ব্যবহার করছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাব দেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বিএনপি প্রমাণ নিয়ে আসুক কোথায় কোথায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। তথ্য প্রমাণ নিয়ে আসুক সেটা দেশবাসী জানুক। তথ্য- প্রমাণ নিয়ে আসুক কোথায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হচ্ছে, কোথায় আচরণ বিধি লংঘন হচ্ছে। মনগড়া কথা বললেতো হবে না তারা সবসময় অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ে।

অসুস্থতা নিয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। এটাতো সরকারের বিষয় নয় আদালতের বিষয়। এখানে সরকারের কোনো সহমর্মিতার বিষয় থাকবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সহযোগিতা সহমর্মিতার কোনো ঘাটতি তো নেই। তবে আমরা সহানুভূতি দেখিয়ে আইনকে প্রভাবিত করতে পারবো না। কাজেই এটা আইনগত বিষয় আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি এখন বেপরোয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় গাড়ি চালকরা যেমন বেপরোয়া থাকে তেমনি পথচারীরাও বেপরোয়াভাবে রাস্তা পারাপার হন।

ব্রাকের গাড়ি চালক প্রশিক্ষণের উদ্যোগের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ব্রাক সব সময় তৃণমূল নিয়ে কাজ করে। তাদের এই গাড়িচালক প্রশিক্ষণ তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে যাবে এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।

নারী প্রশিক্ষণার্থীদের এই ৮ম ব্যাচে মোট ১১ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। উত্তরার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ৩ মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ শেষে এদের শতভাগই উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং লাইসেন্স পেয়েছেন।

এ পর্যন্ত এই স্কুল থেকে অপেশাদার মৌলিক গাড়ি চালনা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৮৮ জন, যার মধ্যে ১ হাজার ৯৭৩ জন নারী। পেশাদার চালকের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৭৩ জন, যার মধ্যে ২১৪ জন নারী। ৫৯৯ জন নারীকে মোটর সাইকেল চালনার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এদের অনেকেই সরকারি, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থা ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে চাকরি করছেন।
২০১১ সাল থেকে ব্র্যাকের কমিউনিটি রোড সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রামের আওতায় এ পর্যন্ত ১২ লাখেরও বেশি মানুষ নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের প্রশিক্ষণ পেয়েছে। ৫ হাজার ৪৫১ জন স্কুলশিক্ষক এবং ৪ লাখ ৯৮ হাজার ছাত্রছাত্রীকে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত