প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অসততা এবং চালাকি করে নিজের ফলস ইমেজ তৈরির প্রয়াস তারেক মুনাওয়ারের

 

ফুয়াদ হাসান : আপনাদের কখনো সম্ভবত বলা হয়নি যে, আমি স্পেসশিপে চড়েছি; চাঁদের পাথরও ধরে দেখেছি। ঘটনা কিন্তু মিথ্যা না। আমি হিউস্টনের জন্সন স্পেস সেন্টারে (নাসার হেডকোয়ার্টার) টিকেট কেটে ঢুকে দর্শনার্থীদের জন্য রাখা একটা স্পেসশিপে ঢুকে দেখেছি। এটা একসময় সত্যিই মহাশূন্য গিয়েছিলো। জন্সন স্পেস সেন্টারেই চাঁদের পাথর রাখা আছে, যা ভিজিটররা ধরে দেখতে পারে। আমিও সেটা ধরে একটু ফিলিং নেওয়ার চেষ্টা করেছি।
এখন আমি বাংলাদেশের কোনো একটা গ্রামে খুবই সহজ-সরল লেস-ইনফর্মড মানুষের সামনে যেয়ে এই পোস্টের প্রথম লাইন বলে অন্য কথায় চলে গেলে তাদের অনেকেই ভাববেন, আমি বুঝি নীল আর্মস্ট্রং ক্যাটাগরির কেউ। কিন্তু, ধরুন সেই কথাবার্তার ভিডিও ইউটিউবে দেখে কেউ এই চিকনা চালাকিটা ধরে ফেলল আর ধরা খেয়ে আমি এই লেখার দ্বিতীয় পেরাটা বলে দিয়ে বললাম, আমি তো মিথ্যা বলিনাই; কেউ বেশি বুঝলে আমার কি দোষ! আমাকে তখন আপনি কি কি বলে ‘সম্মানিত’ করবেন! ঠিক একইরকম ঘটনা ঘটায়ে মাওলানা তারেক মুনাওয়ার সাহেব তার অক্সফোর্ডের বেস্ট টিচার হওয়া, রকেটে চড়া ইত্যাদি নিয়ে জবাব/ব্যখ্যা দিয়েছেন। তার জবাব থেকে বোঝা গেলো, অক্সফোর্ডের তৈরি করা সিলেবাস অনুসরণ করে এমন কোনো স্কুলের (সম্ভবত কোনো এলিমেন্টারি/প্রাইমারি স্কুলের) শিক্ষক হিসেবে তিনি এপ্রিশিয়েশন পেয়েছিলেন। তেমনি, রকেটে চড়া বলতে ভূমিতে থাকা কোনো একটা রকেটে তিনি উঠে দেখেছেন (ঠিক আমি যেভাবে মহাকাশযানে ‘চড়েছি’)। এই ব্যখ্যা দিয়ে তিনি এমনভাব নিলেন যে এসব বিষয়ে সমালোচনা করে তার প্রতি অবিচার করা হয়ে গেছে।
অথচ তার অসততাটা দেখুন; ভূমিতে শব্দহীন থেমে থাকা কোনো একটা রকেট দেখার অভিজ্ঞতার সঙ্গে তিনি উড়ন্ত হেলিকপ্টারের আওয়াজের অভিজ্ঞতার তুলনা করেছেন। আবার, অক্সফোর্ডের বেস্ট টিচার হওয়া বলতে সবাই ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের বেস্ট টিচার হওয়া বোঝাবে এই বিষয়টা তিনি নিশ্চয়ই বুঝেন। কিন্তু তার সহজ-সরল ও লেস-ইনফর্মড ¯্রােতার সামনে এগুলো পরিষ্কার না করে তিনি আদতে চালাকি করে নিজের ফলস ইমেজ তুলে ধরতে চেয়েছেন। এখন লোকজন তাকে কী কী বলে ‘সম্মানিত’ করবে সেটা দেখার পালা। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত