প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩০ সদস্য গ্রেপ্তার

মাসুদ আলম: গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। তারা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) পদ্ধতিতে প্রতারাণা করছে। অভিযানে ২০৩ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চক্রটি ৫০ হাজার ৮০০ টাকা করে ১ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন নথিপত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অফিস খুলে প্রতারণার করছে।ওই সব আঞ্চলিক অফিসে বিভিন্ন পদ সৃষ্টি করে লোক নিয়োগ দেয় তারা। চক্রের মাঠ পর্যায়ের সদস্যরা নিজেদের ডিস্ট্রিবিউটার ও মার্কেটিং অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোভনীয় অফার দিয়ে বেকার যুবক ও তরুণ চাকরি প্রার্থীদের সংগ্রহ করে। এসব চাকরি প্রার্থীদের বলা হয় ১ মাসের প্রশিক্ষণ শেষে চাকরিতে যোগ দিতে পারবে। পরবর্তীতে তাদেরকে পাঠানো হয় ভাইবার জন্য। তথাকথিত ভাইবার পর চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয় প্রতারক চক্রের জোনাল ম্যানেজাররা। এ চক্রের ভূয়া ওইসব অফিসের প্রধান কার্যালয় রয়েছে। চেয়ারম্যান, জিএম ও এজিএমসহ নানান পদে কর্মকর্তা রয়েছে। ভাইবার পর নেয়া টাকা প্রধান অফিসের এজিএম ও জিএমের মাধ্যমে সংগ্রহ করে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।

চেয়ারম্যান চাকুরীর প্রার্থীদের প্রশিক্ষণে কিভাবে জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রার্থীরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে তার প্রেরনা দিয়ে থাকে। একপর্যায়ে প্রার্থীরা বুঝতে পারে তারা প্রতারিত হয়েছে। প্রতারিতরা তাদের দেয়া টাকা ফেরত চাইলে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ও নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরবর্তীতে রাতারাতি প্রতারক চক্র অফিস গুটিয়ে তাদেরকে রেখে পালিয়ে যায়।

সর্বাধিক পঠিত