প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আকাশপথে পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণের পরিমান দেখে অবাক উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো, আইন একপেশে হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা

লাইজুল ইসলাম: আকাশপথে পরিবহন আইন ২০২০ নিয়ে এখনই কথা বলতে নারাজ বিভিন্ন উড়োজাহাজ কোম্পানি। নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোফিজুর রহমান বলেন, আমরা অবাক হয়েছি এই আইনটি পত্রিকায় দেখে। আইনটি সম্পর্কে আরো পড়তে হবে। তখন কিছু বলা যাবে। তবে এখনই কিছু বলা যাবে না।

ইউএসবাংলার জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, মন্ট্রিল কনভেনশনে এগুলোই নির্দেশনা দেয়া আছে, না হয় সরকার এত টাকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে আইন করতো না। তবে আমাদের আরো ভালো ভাবে আইনটি নিয়ে পরতে হবে। তাহলে হয়তো কিছু একটা বিষয় বেড়িয়ে আসবে।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদ বলেন, এই আইনটি আরো বহু আগেই প্রয়োজন ছিলো।কিন্তু হয়নি। তবে আইনটিকে দেশের প্রাইভেট উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো কিভাবে নিবে সেটাই দেখার বিষয়। ক্ষতিপূরণের পরিমান অনেক বেশি হয়ে গেছে। সংস্থাগুলো এত টাকা দিতে পারবে কি না তা জানা উচিত।

আইনটিতে বলা হয়েছে, ব্যাগেজ হারানো বা বিনষ্টের ক্ষতিপূরণ প্রতিকেজি ২০ মার্কিন ডলার (১ হাজার ৭০০ টাকা) থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৮১ ডলার হবে (১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা)। ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহনকারী দায় হবে ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার (৪ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৪ টাকা), যা আগে ২০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা) ছিল। এ ছাড়া কার্গো বিনষ্ট বা হারানোর জন্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে নতুন আইনে ক্ষতিপূরণের অংশ বেড়ে ২৪ ডলার হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাত্রীর মৃত্যু ক্ষেত্রে, যাত্রীর সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে এই আইনের বিধান মোতাবেক ক্ষতিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজের পক্ষ বা বিমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। আকাশপথে অভ্যন্তরীণ পরিবহনে বিলম্ব, ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এই আইন মন্ট্রিল কনভেনশন এবং এর আলোকে প্রণীত প্রটোকলের সংশোধনীগুলো নিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার প্রয়োগ করতে পারবে।

সর্বাধিক পঠিত