প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হজে বিমান ভাড়া কমানোর দাবি হাবের, ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সমর্থন, তবে লোকশানের অযুহাত বিমান মন্ত্রণালয়ের

লাইজুল ইসলাম : ২০১৯ সালে হজ ফ্লাইট ছিলো ১ লাখ ২৮ হজার টাকা। ২০১৮ সালে ছিলো ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা। তবে চলতি বছরে বিমান মন্ত্রণালয় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিমানের ভাড়া নির্ধারিত করেছে। হজের ভাড়া নিয়ে তৃপক্ষীয় দেনদরবার চলছে এখনো। সমাধানের পথ বেরিয়ে আসবে বলেও মনে করছেন সংশ্লীষ্টরা।

গত বছরের তুলনায় এ বছর হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ১২ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ অপারেটরদের সংগঠন হাব। হাব বলছে, কোনো ট্যাক্স ও জেট ফুয়েলের দাম না বাড়ায় ভাড়া বাড়ানো অযৌক্তিক। এতে হজ প্যাকেজের মূল্য বাড়বে। ভাড়া এত বেশি না হলেও চলে, যাত্রীদের ভাড়া যৌক্তিক হওয়া উচিত বলে মনে করেন ধর্মপ্রতিমন্ত্রী। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত বছর ভাড়া কমানো কারণে ক্ষতির মুখে পরেছিলো বিমান। এতে তেমন কোনো সুফল পায়নি হজ যাত্রীরা। এছাড়াও বিমানের বিবিধ খরচ বেড়েছে। তাই বাড়াতে হচ্ছে টিকেটের মূল্য।
প্রতি বছরের মত এবারও দরকশাকশি করতে গত রোববার আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। হজের বড় খরই বিমান ভাড়া। এটি কমানোর জন্য এই বৈঠক হলেও এবার কমেনি ভাড়া।

হাব সভাপতি শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ভাড়া বাড়ানোর কোন যৌক্তিক কারণ দেখানো হয়নি। বরং আন্তর্জাতিক বাজারে জেট ফুয়েলের দাম কমায় ভাড়া কমানো উচিৎ। কোনো নতুন ট্যাক্স নির্ধারণ হয়নি। বাড়তি কোনো খরচ নেই তাহলে দাম বাড়ার কোনো সুযোগ নেই।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, গত বছর ভাড়া কমালেও নানা অজুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিয়েছে হজ এজেন্সিগুলো । গত বছর অযৈক্তিক ভাবে ভাড়া কমানোয় বিমান ক্ষতিগ্রস্থ। তেলের দাম না বাড়লেও খরচ বেড়েছে।

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলছেন, ভাড়া কমালে হাজিদের সুবিধা হবে। এটি চাইলে বিমান মন্ত্রণালয় আবারও ভেবে দেখতে পারে। তিনি বলেন, ওমরাহ যাত্রীদের চেয়ে প্রায় আড়াই গুণ বেশি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো কিছুতেই সমাধান না হলে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে হতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত