প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান কিংবা লেখক আনিসুল হক কি আবরারকে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন?

লী কুড়িগ্রাম : নাঈমুল আবরারের মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়, সেই দুর্ঘটনায় কারও অবহেলা থাকলে অবশ্যই তার যথাযথ বিচার হবে। সেই ঘটনায় দেশের শীর্ষ দৈনিকের সম্পাদক এবং তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে যাবে এটি একটি অভাবিত ঘটনা। বাংলাদেশের কি আইনের শাসন এতোটাই ‘মার মার কাট অবস্থায়’ পৌঁছে গেছে যে দেশের শীর্ষ একজন সম্পাদকের বিরুদ্ধে, একজন খ্যাতিমান লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে যায়।

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান কিংবা লেখক আনিসুল হক কি আবরারকে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন? নিশ্চয়ই দেননি। তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোনো অবহেলা হয়ে থাকলে তার বিচার হতে তো কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সেই অবহেলায় সম্পাদক মতিউর রহমান কিংবা লেখক আনিসুল হকের কতোটা দায় ছিলো সেটা নির্ধারণ করা তো দরকার। এই যে সেদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিবারের মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির একজন কর্মকর্তা বহুতল ভবন থেকে পড়ে মরে গেলেন তার তো ময়নাতদন্তও হলো না। তিনি কীভাবে পড়ে গেলেন সেখানে কারও অবহেলা ছিলো কি না, নিদেনপক্ষে রাষ্ট্র উদ্যোগী হয়ে তার ময়নাতদন্ত করবে এমন পরিস্থিতি কিন্তু আমরা সেখানে দেখিনি।

হতে পারে সেটা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বলে কেউ সেখানে ‘অবহেলা’ কিংবা ‘অন্য কোনো কিছু সন্দেহ করার’ উপাদান খুঁজে পাননি। প্রথম আলো পত্রিকার ক্ষেত্রে যা সহজেই পাওয়া গেছে। মতিউর রহমান, আনিসুল হকসহ প্রথম আলোর কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের দাবি জানাই। সম্পাদক-লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রাষ্ট্রকে, সরকারকে কখনোই সুখ্যাতি দেয় না এটা যেন আমরা বুঝতে পারি। সওগাত আলী সাগরের সঙ্গে একমত পোষণ করছি। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত