প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশ বিজ্ঞানীর দেশ, বললেন ড. মোবারক আহমদ খান

আবদুল হাকিম: বাংলাদেশকে আমরা সবাই বলি কবির দেশ, গানের দেশ, ভাটিয়ালি দেশ, কেউ বলে না বাংলাদেশ বিজ্ঞানীদের দেশ। আজকে আমি একটা স্লোগান সবাইকে বলে দিচ্ছি, সেটা হলো বাংলাদেশ বিজ্ঞানীর দেশ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় ঢাকা কলেজের শহীদ আ ন ম নজীব উদ্দিন খুররম অডিটোরিয়ামে ঢাকা কলেজ বিজ্ঞান ক্লাব আয়োজিত ৭ম জাতীয় বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যাদের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছর তাদেরকে বলা হয় তরুণ বিজ্ঞানী। পৃথিবীতে বড় বড় বিজ্ঞানীরা যত বড় বড় থিওরি দিয়েছেন তাদের বয়স ৩০ এর কম ছিল। বিজ্ঞানী প্যাসকেল ও এরিস্টটল মাত্র ১৬ বছর বয়সে থিওরি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, চাইনিজ বা জাপানিরা অনেক নতুন নতুন আবিষ্কার করে। তাদেরকে দেখে আমাদের শিখতে হবে। তারা পারলে আমরা কেন পারব না? বিজ্ঞানকে বাংলা ভাষায় পড়তে হবে। বিজ্ঞান পড়ে তা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে।

পাট থেকে নিজের উদ্ভাবিত সোনালী ব্যাগ, পাটের তৈরি জুটন ঢেউটিন, পাটের তৈরি হেলমেট ও টাইলস আবিষ্কারের বিষয়ে ড. মোবারক আহমদ খান বলেন, আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা করতে গেলাম তখন দেখি আমার দেশ থেকে পাট নিয়ে বিদেশি শিক্ষকের সাথে গবেষণা করলে অন্য দেশের সুনাম হবে। তাই মাত্র ১১ দিনের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে দেশে চলে আসি এবং গবেষণা শুরু করি। আজ আমি সফল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সোনালী ব্যাগের নামকরণ করেছেন বলে এ সময় জানান বাংলাদেশের এ বিশিষ্ট বিজ্ঞানী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এবারের বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে বিভিন্ন স্টলে ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্ট নিয়ে বসেছিলেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে বায়োপ্লাস্টিক, ডিসবোট, দূষণ মুক্ত পরিবেশ ও আটোমেটিক লাইট সিস্টেম সেভ দ্য লাইফ, পাওয়ার সেভিং টাউন, ব্লাইন্ড গুগলসহ বিভিন্ন প্রজেক্ট উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সামিয়া আজাদ বলেন, এমন একটি প্রজেক্টে অংশ নিতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে। এখানে এসে নিজের প্রজেক্টটি সম্পর্কে সবাইকে জানাতে পারছি এবং অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তৈরি করা প্রজেক্ট থেকে বিজ্ঞানের অনেক জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছি।

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর এ টি এম মঈনুল হোসেন, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুস কুদ্দুস শিকদারসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া রাজধানীর ৬০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত