প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘CAA-এর বিরুদ্ধে মানেই সে হিন্দুবিরোধী!’ দিলীপের নতুন ‘দাবি’ নিয়ে শোরগোল

সাজিয়া আক্তার : রাজ্য সভাপতি হিসেবে বৃহস্পতিবারই দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেছেন তিনি, আর শুক্রবারই ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। হাওড়ায় বিজেপির অভিনন্দন যাত্রায় যোগ দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আধার কার্ড, ভোটার কার্ড নাগরিকত্বের কোনও প্রমাণ নয়। প্রধানমন্ত্রী তিন চারমাস সময় দেবেন। তার মধ্যে প্রমাণ করতে হবে সব। মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনে তথ্য যদি না দেন, তাহলে সমস্যায় পড়তে হবে।’ আর রবিবার বারাসাত থেকে মধ্যমগ্রাম পর্যন্ত অভিনন্দন যাত্রা করে তিনি ফের বললেন, ‘যারা সিএএ-এর বিরোধিতা করছেন, তারা আসলে হিন্দু বিরোধী।’ সেইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘অনুপ্রবেশকারীদের পাশে দাঁড়ালে, আসলের সঙ্গে সুদ, দুইই বিদায় করে ওপাশে পাঠাব।’এই সময়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যখন কেবল সিএএ নিয়ে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে সুর চড়াচ্ছেন, সেখানে তাঁদেরই দলের রাজ্য সভাপতির এই হুঁশিয়ারি সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আর এতেই বিজেপির আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ছে বলেই মত তাঁদের। এদিনও দিলীপ ঘোষ স্পষ্টতই বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরাই এসেছেন, যে ধর্মেরই হোন না কেন, সকলকে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হবে।’

বিজেপির বিরোধিতায় বারবার কলকাতার রাজপথে নামছেন বিদ্বজনেরা। তাঁদেরকে আগেই নির্বোধ ও হাওয়ামোড়গ বলে কটাক্ষ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। হাওড়ার পর এদিনের সভা থেকেও এদিন তিনি বলেন, ‘এরা কারা? এদের বাম আমলে দেখতাম বাটি-থালা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছে বামেদের জন্য। এখন আবার অন্য দিকে।’

সিএএ বিরোধীদের গুলি করার কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েও বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বার রাজ্য সভাপতি হয়েছেন দিলীপ। আর তারপরই হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, ‘তৈরি থাকুন, আরও কঠিন কথা শুনতে হবে।’ শুক্রবার থেকেই তা শুরু করে দিলেন তিনি।

যদিও তৃণমূল নেতা তাপস রায় দিলীপকে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘কে নাগরিক, কে নাগরিক নয় তা কি বিজেপি ঠিক করে দেবে? ওনাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে তো? শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র?’ একই সুরে সমালোচনায় নেমেছে বাম ও কংগ্রেসও।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত