প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিনটিকে উৎসবের দিন হিসেবে ঠিক করেছে, বললেন আমিনুল ইসলাম

সমীরণ রায়: আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি বলছে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র মানে আইনের শাসন। দেশের যে কোনো নাগরিকের তার বিরুদ্ধে অন্যায়ের প্রতিকার চাওয়ার নামই গণতন্ত্র ও সুশাসনের প্রথম শর্ত। বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার দিনটিকে উৎসবের দিন হিসেবে ঠিক করেছে। তাদের যদি মনে হয়, এটিই গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র দেশের মানুষ চায় না। প্লেটোসহ বড় বড় দার্শনিকরা গণতন্ত্রে যে সংজ্ঞা দিয়েছেন, তার মানে হচ্ছে মত প্রকাশের অধিকার। যদি দেশে গণতন্ত্র না থাকে বিএনপির নেতারা এই কথাটি কি করে বলছেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। এমন কোনো দিন নেই, যে তারা কথা বলতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব চেয়ে পুরানো ও সমৃদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগই একমাত্র জন আঙ্কাকাকে ধারণ করতে পেরেছে। একটি রাজনৈতিক দল কতোদিন টিকে থাকবে, সেটি নির্ভর করে দলটি মানুষের কথা কতটুকু বলছে। আওয়ামী লীগের ৭০বছরের পথচলায় স্বপ্ন ছিল বলেই সফলতার সঙ্গে দলটি টিকে আছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুদ্ধি অভিযান কোনদিন স্থিমিত হয়নি। কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আগে তার বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে হয়। তথ্য প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়।

আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি দুইবার দলে উপ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হলাম। এর আগেও দু’বার দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলাম। গত তিন বছর আওয়ামী লীগের ইশতেহার ও দলীয় কর্মসূচি মানুষের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন প্রচার-প্রচারণায় একটা নতুনত্ব চলে এসেছে। আগে জনসভা ও লিফলেটে প্রচার করা হতো। এখন সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, অতীতে ছোটখাটো ভুল থাকতে পারে। সে অভিজ্ঞতার আলোকে ভুলগুলো আমরা সুধরে নিয়েছি। সাধারণ মানুষের কাছে আমরা কীভাবে পৌঁছাতে পারি তা ফাইন্ড আউট করছি। ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দলকে আরও বেশি গণমুখি করতে যা যা করা প্রয়োজন সেটিই করবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুরু থেকেই একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। দলটি প্রতিষ্ঠা পর থেকেই পাঁচ বছরের মাথায় সংবিধান সংশোধন করে। অসাম্প্রদায়িক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে। সেই দল সংখ্যালঘু নির্যাতন করবে তা কোনো বিবেকবান ব্যক্তি বিশ্বাস করবে না।বরং আওয়ামী লীগের সময়ে সংখ্যালঘুরা অনেক বেশি নিরাপদ। কারণ আওয়ামী লীগ মনে করে একজন মুসলমান হিসেবে দেশে আমার যেমন অধিকার রয়েছে। একইভাবে একজন সংখ্যালঘুরও সমান অধিকার রয়েছে। সেই সমান অধিকার সংবিধানে সংরক্ষিত রয়েছে। এ অধিকার রক্ষাই আওয়ামী লীগের কাজ।

আমিনুল ইসলাম বলেন, আগে মিছিল হতো, চালের দাম কমাতে হবে কমাতে হবে। এখন কৃষকরা বলছে, চালের দাম বাড়াতে হবে বাড়াতে হবে। এটি সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষিবান্ধব পদক্ষেপের কারণে। বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা নেতারাও নেত্রীর (শেখ হাসিনা) উন্নয়নে বিমোহিত। আর্ন্তজাতিক সম্মেলনগুলোতে আমরা দেখেছি বাংলাদেশকে প্রেজেন্ট করতে। এখন গর্বে আমাদের বুক ফুলে উঠে। ঢাকাসহ দেশের যে কোনো স্থানেই গিয়ে দাঁড়ালে মনে হবে, বাংলাদেশে নয়, সিঙ্গাপুরে দাঁড়িয়ে আছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত