প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রায় সাড়ে ৫ লাখ বিদেশি কর্মী বছরে দেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা

মাজহারুল ইসলাম : তারা গার্মেন্ট খাতসহ বিভিন্ন খাতে চাকরি করে তারা ওই পরিমান টাকার বেশি নিয়ে যাচ্ছেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) গার্মেন্ট খাতে কর্মরত বিদেশিদের নিয়ে করা গবেষণা থেকে জানতে পারে, দেশের মোট ৩ হাজার ৮’শ কারখানার মধ্যে ১৩ শতাংশ করাখানায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বিদেশিরা।
আরেক সংস্থা পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) তথ্য মতে বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাতে কাজ করছে ২০ হাজারের অধিক বিদেশি কর্মী। কিন্তু এই ২০ হাজার কর্মী যা বেতন নিচ্ছে তা গার্মেন্ট খাতে দেশীয় মোট শ্রমিকের প্রায় অর্ধেকের সমপরিমাণ মজুরি নিয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলছেন, কিছু সুনিদৃষ্ট পদে দক্ষতার দিক দিয়ে পিছিয়ে রয়েছে দেশের শ্রমিকরা। দেশি শ্রমিকদের দক্ষ করে গড়ে তুলে এই বিশাল অঙ্কের টাকা দেশে রাখা সম্ভব।

এ বিষয়ে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, মূলত দেশের পোশাক কারখানার ১৩ শতাংশে বা ৪০০ টিতে কাজ করে বিদেশি দক্ষ শ্রমিক এবং তারা মোটা অঙ্কের টাকা প্রতি বছর নিয়ে যাচ্ছে।

পিআরআইয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রায় সাড়ে ৫ লাখ বিদেশি কর্মী বাংলাদেশ থেকে বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। টাকার অঙ্কে যা কমপক্ষে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) থেকে অনুমতি দেয়া হয়েছে ১ লাখ। তাদের আয়ের ওপর সরকার যথাযথভাবে করও পাচ্ছে না।
এর মধ্যে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সরকারের বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি কর্মী নিয়োগে অনেক ক্ষেত্রে বিডা থেকে অনুমতি নেয়া হয় না। এভাবে এ দেশে কাজ করছেন ভারত, চীন, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির লোকেরা। বলা হয়, এরা দক্ষ কর্মী। নিয়োগদাতাদের মতে, বাংলাদেশে ফ্যাশন ও ডিজাইনিং, ভারী যন্ত্রপাতি পরিচালনা, বিপণন, সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি খাতে দক্ষ কর্মীর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণ করতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন, উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম চালু রাখতে হচ্ছে। সূত্র : সময়ের আলো

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত