প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ অর্ধদিবস হরতালের মূল্যায়ন

প্রকৌশলী ম ইনামুল হক : সম্ভবত সবাই বলবেন, হরতাল হয়নি। রাস্তায় গাড়ি চলেছে, মানুষ অফিস করেছে, দোকান পাট খুলেছে। বেশ। এতে কী প্রমাণ হয়? ভোট ডাকাত আওয়ামী লীগ সরকার জনপ্রিয়? বাংলাদেশে আর ভোটের দরকার নেই? বাংলাদেশে রাজতন্ত্র প্রয়োজন? কে জবাব দেবেন? হরতাল হয়নি। কারণ আগের দিন গাড়ি ভাঙচুর হয়নি, বাসে আগুন হয়নি। ঠিকই তো। আমরা তো তাই চেয়েছিলাম। আর আমরা যা চেয়েছিলাম, তা হয়েছে; আমাদের ডাকা হরতাল নিয়ে মানুষ আলোচনা করেছে। আর দেশের মানুষ বিরোধী দলগুলোকে গাল দিয়েছে। আমরা অতোদূর চাইনি। বিরোধীদলগুলো এভাবে ধিকৃত হোক আমরা চাইনি। তবে আমরা বুঝলাম, আমাদেরই আবার হরতাল দিতে হবে। কারণ কী ডান, কী বাম, বিরোধী নামের দলগুলো আসলে আওয়ামী লীগের বি বা সি টিম। তাদের নেতারা যতো কথাই বলুক, দিনশেষে তারা স্বৈরাচারের দালাল।

তারা কেউ তালপাতার সেপাই, কেউ ফাঁপা বেলুন। বাংলাদেশে ডান রাজনীতি হচ্ছে বাস ভাড়া করে, লোক ভাড়া করে, মফস্বল থেকে আনা নেওয়ার সমাবেশ; যানজট, শব্দ ও বর্জ্য দূষণ। বাম রাজনীতিগুলো একাডেমিক সভা সম্মেলনে শেষ। কিছু আরও আছে, যারা ঘরের মধ্যে শুধু তত্ত্বকথার ফুলঝুরি ছড়ায়। তাদের অনেকেই কেউ ১০০ বছর, কেউ ৫০ বছর, কেউ ৩০ বছর পেছনে পড়ে আছে, এগোতে পারছে না। আমাদের হরতালে ডান কী বাম, ধার্মিক কী শ্রমিক কেউ সমর্থন দেয়নি। বিরোধিতাও করেনি। আসলে বর্তমান স্বৈরশাসনে তাদের কোনো বিরোধী অবস্থানে নেই। তারা বরং নিষ্ক্রিয় থেকে, আত্মসন্তুষ্ট থেকে, স্বপ্নের পর স্বপ্ন দেখিয়ে যুব সমাজকে আঁটকে রাখছে। আর কতোকাল? এখন ঠরংরনষব ডড়ৎষফ-এর চেয়ে ঠরৎঃঁধষ ডড়ৎষফ অনেক বেশি বাস্তব। এখন দৃশ্যমান সত্যের চেয়ে বিদ্যমান সত্য অনেক বেশি শক্তিশালী। এই সত্য প্রকাশিত হলে তারা বাতাসে হারিয়ে যাবে। লেখক : আহ্বায়ক, সর্বজন বিপ্লবী দল। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত