প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩০ ডিসেম্বরের মতো নির্বাচন হলে তাপস আর আতিককে আগাম অভিনন্দন জানিয়েই রাখা যায়!

 

প্রভাষ আমিন : জনতার ভারে ন্যুব্জ একটি শহরে মেয়র হিসেবে সফল হওয়া খুব কঠিন। পা ঢাকতে গেলে মাথা খালি হয়ে যায়, মাথা ঢাকতে গেলে পা। আপনি জলাবদ্ধতা দূর করলে মশা কামড়াবে, মশা মারতে গেলে ফুটপাত দখল হবে। তবে কাজটা যে অসম্ভব নয়, তা দেখিয়ে দিয়ে গেছেন আনিসুল হক। মাত্র তিন বছরে তিনি আমাদের প্রত্যাশার মাত্রা এমন আকাশে তুলেছেন, অন্য কোনো মেয়রের পক্ষেই সফল হওয়া কঠিন শুধু নয়, প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও এখন দলীয় প্রতীকে হয়। তাই ব্যক্তির সাফল্য-ব্যর্থতার চেয়ে দলের হিসাব-নিকাশ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ ভাবতে পারেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, এখন বিএনপি প্রার্থীকে জেতালেও কাজ করতে পারবে না। আবার ১১ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের ব্যাপারে মানুষের পুষে রাখা ক্ষোভ ভোট হয়ে ঢুকতে পারে ধানের শীষের বাক্সে। তবে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। জিতলে তো কথাই নেই; বলবে, প্রমাণিত হলো জনগণ বিএনপির সঙ্গে আছে।

আর হারলে তো সেই ভাঙা রেকর্ড, আবারও প্রমাণিত হলো, এই সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তবে এতো হিসাব-নিকাশ, জনগণের চাওয়া-পাওয়া সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচন কেমন হবে তার ওপর। বহুল সমালোচিত, নিন্দিত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে দাঁড়িয়ে একটি ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করতে একটু ভয়ই লাগে। ৩০ ডিসেম্বরের মতো নির্বাচন হলে তাপস আর আতিককে আগাম অভিনন্দন জানিয়েই রাখা যায়। তবে আমার ধারণা ভিন্ন, ঢাকার দুই সিটির জয়-পরাজয়ে সরকার বদল হবে না। তাই সরকার চাইলে নিজেদের মাঠের সত্যিকারের অবস্থা যাচাই করার জন্য হলেও সরকার একটা সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিতে পারে। ওবায়দুল কাদের তেমন আশ্বাস দিয়েছেন। আমি তার আশ্বাসে বিশ্বাস রাখতে চাই। এছাড়া অবশ্য আমাদের কিছু করার নেই। ওবায়দুল কাদেরের আশ্বাস যদি সত্যি হয়, তাহলে ৩০ জানুয়ারি আমরা একটা জমজমাট ভোটের লড়াই প্রত্যাশা করতে পারি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত