প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছাত্রলীগ-ডাকসু-উপাচার্যকাণ্ডে বছরজুড়ে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা

ডেস্ক রিপোর্ট  : দু’দিন পরেই বিদায় বহুল আলোচিত ২০১৯। বুধবার থেকে নতুন বছরের শুরু। কেমন ছিল এ বিদায়ী বছরটি? প্রকৃত অর্থেই শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনে নানা ঘটনায় পূর্ণ ছিল ২০১৯ সাল। দীর্ঘ ২৭ বছর পর সচল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সচল হওয়া, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন, শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যা, ইতিহাসে প্রথম বারের মতো চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের শীর্ষ দু’জন নেতার পদ হারানো প্রভৃতি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদায়ী এ বছরজুড়ে উত্তেজনায় ছিল দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গন। দীর্ঘ এক দশক পর সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি নিয়ে বিতর্কও ছিল এ বছরের শিক্ষাখাতে আলোচিত বিষয়।

দীর্ঘ ২৭ বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট শেষ হওয়ার আগে বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ বাদে বাকি প্যানেলগুলো। প্রশ্নবিদ্ধ ওই ভোটের ফলে মোট ২৫টি পদের মধ্যে জিএস-এজিএসসহ ২৩টি পদে জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছাত্রলীগ। তবে ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদকের পদে জিতে যান সরকারি চাকরিতে কোটা সংষ্কারের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের দুই নেতা। পরে সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে অনশনেও বসেন শিক্ষার্থীরা, অনিয়ম খতিয়ে দেখা ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাসে এই কর্মসূচি থেকে সরে আসেন তারা। বছরের শেষের দিকে ২১ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে ঢুকে ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করে। হামলার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের পাশাপাশি ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মীকেও দায়ী করা হচ্ছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শুরু দিকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও শুধু ‘চিরকুট’ দেখিয়ে ৩৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির ঘটনায় আলোচনায়-সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। এরা সবাই ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ডাকসু ও হল সংসদে নিবার্চিত নেতা। পরে অবৈধভাবে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব ও ডাকসুর পদ বাতিল করে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে খালি পদগুলোতে দ্রুত উপনির্বাচন দেয়া এবং উপাচার্য ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিনের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে কর্মসূচিও পালন করা হয়।

আবরার হত্যায় অস্থিত বুয়েট: ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী গত ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদ নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দুই মাস বন্ধ ছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। পরে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করাসহ শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিলে বুয়েটে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংসহ বিভিন্ন কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের চিত্র সামনে আসে।

জাবিতে অস্থিরতা: উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের মধ্যস্থতায় উন্নয়নকাজের টাকার ভাগ ছাত্রলীগ নেতাদের দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত আগস্ট থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা শুরু হয়। ওই ঘটনার পরে ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাকে পদ হারাতে হলেও তারা অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৫ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ ছিল। এক মাস পর বিশ্ববিদ্যালয়টি খুললেও দুর্নীতির অভিযোগের মিমাংসা হয়নি এখনও।

ছাত্রলীগের ইতিহাসে প্রথম: চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের শীর্ষ দু’জন নেতার পদ হারানোর ঘটনা সংগঠনটির দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম ঘটলো। চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলটির নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে দেয়া হয়। পরে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল নাহিয়ান খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

নুসরাত হত্যা এবং রায়: বিদায়ী বছরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছিল যেসব হত্যাকান্ড তার একটি ঘটেছিল ফেনীতে। জেলার সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহানের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল ৬ এপ্রিল। চারদিন পর ১০ এপ্রিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার সাত মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ২৪ অক্টোবর স্থানীয় আদালতে বিচার শেষ হয়েছে। বিচারিক আদালতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ আসামী ১৬ জনেরই ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে।

বশেমুরবিপ্রবিতে উপাচার্য নাসিরের পদত্যাগ: শিক্ষার্থীদের টানা ১২ দিনের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। ফেসবুক পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গত ১১ সেপ্টেম্বর আইন বিভাগের ছাত্রী  ফাতেমা-তুজ জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রশাসন জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। এরপরও উপাচার্যের অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে উপাচার্য পতনের আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ওই ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর গিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেয় ওই তদন্ত কমিটি। তাদের প্রতিবেদনে উপাচার্যকে অপসারণের সুপারিশের পর ৩০ সেপ্টেম্বর পদ ছাড়েন ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন।

শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে বিদায় ববি উপাচার্য: গত ২৬ মার্চ এক অনুষ্ঠানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বললে ২৭ মার্চ থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের একপর্যায়ে ২৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা সে নির্দেশ উপেক্ষা করে হলে অবস্থান করেন। দীর্ঘ ৩৪ দিন ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২৬ মে উপাচার্য ড. এস এম ইমামুল হক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নিতে হয়। এদিকে, উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকায় প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে দিতে হয়েছে। পরে নতুন ভিসি এসে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঠিক করেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে বির্তক: দীর্ঘ ৯ বছর পর ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ হাজার ৭৩০টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়। এ তালিকায় স্থান পায় অস্থিত্বহীন, ভূঁইফোঁড় ও যুদ্ধাপরাধীর নামে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানও। তা নিয়ে চলে বিতর্ক। এ অবস্থায় অভিযোগের পাহাড় জমা পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি, মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতাদের অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ধ্যাকালীন কোর্স নিয়ে সমালোচনা রাষ্ট্রপতির: ৯ ডিসেম্বর ঢাবির সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এসময় তিনি বলেন, ‘ইভনিং শিফট সিস্টেমটা আমার কাছে কেন জানি ভালো লাগে না। ইভিনিং শিফটে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার মতো কোনো অবস্থা থাকে না। দয়া করে এটা বাতিল করা যায় কিনা সেটা আপনারা বিবেচনায় নিবেন। এরপর ইউিজিসি থেকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। পরে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ধ্যাকালীন কোর্স ভর্তির কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন: গত অক্টোবরে এক চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে উপাচার্যের টাকা নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক চাকরিপ্রার্থীর স্ত্রীর মুঠোফোনে উপ-উপাচার্য টাকা লেনদেনের কথা বলেন, যার অডিও রেকর্ড ফাঁস হলে আন্দোলন শুরু হয়। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের একটি বক্তব্য নিয়েও আন্দোলন হয়। ছাত্র আন্দোলন অস্থিরতা দেখা দিয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও। দুই দল শিক্ষার্থীর সংঘর্ষের কারণে টানা ১৫ দিন বন্ধ ছিল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। গত ১ নভেম্বর বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আন্তঃহল ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই হলের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। এরপর ১৭ নভেম্বর থেকে পুনরায় ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের আন্দোলন: সরকরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়ার দাবিতে বছরজুড়ে নানা আন্দোলন করেছেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মহাসমাবেশ করতে গিয়ে পুলিশী বাধাঁয় পড়লে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের হুমকি দেন শিক্ষকরা। পরে অবশ্যই সরকারের আশ্বাসে সেই কর্মসূচি থেকে ফিরে আসেন শিক্ষকরা।

প্রথমবারের মতো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা: দেশে প্রথমবারের মতো ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি ও কৃষির প্রাধান্য থাকা সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিতভাবে এ ভর্তি পরীক্ষার তত্ত্বাবধানে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এসব বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে-বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নতুন হওয়ায় সেখানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, এ ভর্তি প্রক্রিয়া দেশের সব মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

জাতীয়করণকৃত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীর চাকুরি আত্মীকরণে ধীরগতি: সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৬‘শ বেরসকারি স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণ করার বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সব মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এ সংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমে আছে ফাইলের স্তুপ। ফলে সরকারের এমন বড় উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে চলছে ধীরগতি অবস্থা।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত