প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীর ফুটপাত পরিণত হয়ে রীতিমতো মার্কেটে !

শাহীন খন্দকার : ফুটপাতে পণ্য সাজিয়ে বসেন হকাররা। ক্রেতা আর্কষণে চলে তাদের হাঁকডাক। চলে জমজমাট বেচাকেনা। অবৈধ দখলদারদের এমন দৌরাত্মে পথচারীরাই ফুটপাতছাড়া। রাজধানীর গুলিস্থান, পল্টন, বায়তুল মোকাররম ও মতঝিলি, কারওয়ান বাজার বসুন্ধরা ধানমন্ডি নগরীর সর্বত্রই হকারদের দৌরাত্ব চলছে। এভাবে ব্যবসা করায় বাড়ছে যানজট, বাড়ছে দুঘটনা। এলাকার ফুটপাতের ‘চেনা’ চিত্র এটি। তবে ‘চেনা’ এই চিত্র ফার্মগেট মোহম্মদপুরসহ সমগ্র রাজধানীর ফুটপাত অধিকাংশই হকারদের দখলে চলেগেছে। রীতিমতো ফুটপাতকে মার্কেট বানিয়ে ফেলছে। ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে পসরা সাজিয়ে বিক্রি হচ্ছে সবজি, ফল পিঠা, জুতা, শীতের কাপড়, মোবাইল ইলেকট্রনিক র সামগ্রীসহ খাবারও। অনেক স্থানে ফুটপাত ছাড়িয়ে রাস্তার ওপরে চৌকি বসিয়ে চলছে ব্যবসা।

নীলক্ষেত দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণও গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুয়েত-মৈত্রী ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের শিক্ষার্থীদের সবসময় যাতায়াত করতে হয়। এসব ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়। এসব স্থানে ফুটপাতের পাশাপাশি রাস্তাও দখল করে রেখেছে হকাররা। বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পরও দখলমুক্ত হচ্ছে না ফুটপাত। উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কিছুদিন পরেই এসব ফুটপাত আবারও চলে যায় হকারদের দখলে।

জানা যায় ঢাকা সিটি ম্যানুয়াল-১৯৮২ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬-তে রাজধানীর ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত রাখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ফুটপাত পথচারীদের হাঁটার জন্য উপযোগী করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এরপরেও নেই কোনো আইনগত ব্যবস্থা। বিষয়টি দুঃখজনক। হকারদের কাছ থেকে জানা গেছে, ফুটপাতে ব্যবসা করার জন্য প্রতিদিন ব্যবসার ধরনে ১০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত দিকে হয়। এ টাকা বিভিন্ন হাত হয়ে চলে যায় প্রভাবশালীদের পকেটে। এতে সমস্যা হচ্ছে মানুষরে চলাচল সেই সাথে বাড়ছে যানজট। পথচারীদের কেনাকাটার সুযোগে ঘটছে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও! পথোচারি লোকমান বলেন, সরিষায় ভূত থাকলে সরিষার তৈল হবে না । আগে দেশের আইনের প্রয়োগ হয় না বলেই দেশের এই অবস্থা রাস্তার ফুটপাতের !

প্রশাসনরে পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে হকার উচ্ছেদ অভিযান চললেও দিন কয়েক পরে আবার ফিরে আসে আগের অবস্থানেই।এতে বাধ্য হয়ে পথচারীরা মুল রাস্তায় হাটছে।জানা যায় প্রতিদিন হকাদের কাছ থেকে নেয়া হয়ে থাকে দোকান প্রতি চাঁদা।অভিযোগ আছে পুলিশ এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাঁদা দিয়েই হকাররা ব্যবসা করছে। নাম প্রকাশেঅনইচ্ছুক ব্যবসায়িরা জানান নেতা নগরকর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে তাদের দাবি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে কিংবা সরকারি খাস জমিতে পূর্ণবাসন করতেন সরকার তাহলে যে অর্থ প্রতিদিন পুলিশ আর প্রভাবশালীদের দিচ্ছি এই টাকা সরকারের রাজস্বেই যেতো বলে দাবি করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত